প্রচ্ছেদ

শিক্ষাঙ্গন

জাতীয়

দেড় মাসে ১০ গুণ বেড়েছে করোনা সংক্রমণ

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাকাঃ গত দেড় মাসে দেশে দশগুণ করোনা সংক্রমণ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, করোনা ভয়াবহভাবে বাড়ছে। গত দেড় মাসে এক...

সবার আগে জীবন: প্রধান বিচারপতি

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাকাঃ  জীবন ও জীবিকা দুই-ই গুরুত্বপূর্ণ। তবে করোনা মহামারীর এই দুঃসময়ে সবার আগে জীবন, তা আবার স্মরণ করিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ...

গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় ১০২ জনের মৃত্যু

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাকাঃ দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটিই বাংলাদেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে...

যে কারণে গ্রেপ্তার হলেন মামুনুল হক

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাকাঃ হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুল হককে গ্রেফতারের কারণ জানিয়েছে পুলিশ। রোববার বেলা ১টার দিকে মোহাম্মদপুরের জামিয়া...

দেশে আজও ১০১ জনের মৃত্যু

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাকাঃ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০ হাজার...

মতামত

  • করোনায় মধ্যবিত্তের সমন্বয় তত্ত্ব
    করোনায় মধ্যবিত্তের সমন্বয় তত্ত্ব

    রিয়াজুল হক: চারদিকে একটা থমথমে ভাব। সবকিছু যেন থেমে আছে। মানুষের মধ্যে ভয় বিরাজমান। নভেল করোনাভাইরাস যেন আমাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা আটকে দিয়েছে। গত বছরও দেখেছি, সব শ্রেণি-পেশার মানুষ কমবেশি করোনার কারণে বিপর্যস্ত হয়েছে। তবে মধ্যবিত্তের সমস্যা নানাবিধ। তারা না পারে তাদের সমস্যা কাউকে বলতে, না পারে সহ্য করতে। তখন তারা সীমিত টাকার মধ্যে সমন্বয় করে চলতে বাধ্য হয়।

    অনেকের মতে, যারা মাসিক বেতনের ভিত্তিতে কাজ করেন, যাদের আয় নির্ধারিত, যাদের বেতনের বাইরে কোনো আয় নেই তারাই মধ্যবিত্ত। সহজ কথায়, মধ্যবিত্তরা দারিদ্র্যসীমার ওপরে বসবাস করে কিন্তু তারা উচ্চবিত্ত নয়। দেশের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দেশে মধ্যবিত্তের সংখ্যাও বাড়ছে। বিআইডিএসের গবেষণা মতে, ১৯৯১ সালে মধ্যবিত্তের হার ছিল ৯ শতাংশ। বর্তমানে এই হার ২০ শতাংশ। ২০২৫ সালে মধ্যবিত্তের হার হবে ২৫ শতাংশ এবং ২০৩০ সালে এই হার হবে ৩৩ শতাংশ। অর্থাৎ মধ্যবিত্তের হার ক্রমবর্ধমান। মধ্যবিত্তের মোটামুটিভাবে কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যেমন এরা শিক্ষিত, রুচিশীল এবং মননশীল বিশিষ্ট হয়ে থাকেন। আত্মসম্মান বোধ থাকে। অভাব-অনটনের বিষয়ে মুখ বুজে সহ্য করেন, তবু কারও কাছে হাত পাততে পারেন না। বিত্তবান কিংবা বিত্তহীনদের মতো যেকোনো কাজও করতে পারেন না। সমাজ কী বলবে, এই নিয়ে তারা চিন্তিত থাকেন।

    উপরের বৈশিষ্ট্যগুলোর সঙ্গে উচ্চবিত্ত কিংবা নি¤œবিত্তের মানুষের যেকোনো মিল নেই, সেটা বলা যাবে না। এবার মূল কথায় আসা যাক। বর্তমান বিশ্বে মহামারি আকার ধারণ করা করোনাভাইরাসের কারণে সবাই মৃত্যুভয়ে শঙ্কিত। মৃত্যু এখন কত সহজ হয়ে গেছে। গত বছর দেখেছি, করোনায় আক্রান্ত হয়ে আপনজন মারা গেলেও লাশটা ফেলে সবাই চলে যাচ্ছে। জানাজায় কিংবা সৎকারেও কেউ থাকছে না। সবার মধ্যে এক অদৃশ্য ভাইরাসের ভয়।

    করোনাকালের এই সময় উচ্চবিত্ত কিংবা নিম্নবিত্তের তুলনায় সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী মধ্যবিত্ত। কারণ তাদের সীমিত আয়। খরচ বেড়ে যাওয়ার একটা বিষয় থাকে। বাড়ি ভাড়া, বাচ্চাদের শিক্ষাবাবদ খরচ, ওষুধ খরচ, গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল, মাসিক ডিপিএস ইত্যাদি খরচ বাদ দিয়ে যে টাকা অবশিষ্ট থাকে, সেটা দিয়ে তারা দৈনন্দিন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর জন্য ব্যয় করে। অর্থাৎ কোন খাতে তারা কত ব্যয় করবে, সেটা মাসের শুরু থেকেই নির্ধারিত। যদি কোনো মধ্যবিত্ত পরিবারের মাসের ২৫ তারিখের পর বাকিতে পণ্য কিনতে হয়, তাহলে তার সারাবছরই সেই চলতে থাকে। যদি কোনো মাসে বাচ্চার লেখাপড়ার খরচ বেড়ে যায় কিংবা ওষুধের জন্য খরচ বেড়ে যায়, তবে সেই মাসে খাবারের জন্য কিছুটা কম খরচ করতে হয়। আয় নির্দিষ্ট হওয়ার কারণে হিসাব-নিকাশ যা করার খাদ্যের খরচের ওপরই করতে হয়। যদি বাড়ি ভাড়া বেড়ে যায়, পরের মাস থেকে খাবারের মান একটু কমে যায়, যতদিন না পর্যন্ত বেতন বাড়ে। এই হচ্ছে মধ্যবিত্তের অবস্থা। কোন দিকে যদি খরচ বেড়ে যায়, তাহলে তার প্রভাব পড়ে দিনের খাদ্য তালিকার ওপর। মধ্যবিত্তের আরেক নাম যেন স্যাক্রিফাইস।

    একটা উদাহরণ। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য এপ্রিলের ৫ তারিখ এক সপ্তাহের জন্য লকডাউনের আদলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হলো। অবশ্যই ভালো উদ্যোগ। অথচ লকডাউনের আগের দিন অর্থাৎ ৪ এপ্রিল জরুরি প্রয়োজনে একটি সুপার শপে গিয়েছিলাম। কয়েকজন ক্রেতা দেখলাম হন্তদন্ত করে আলু, পেঁয়াজ, মাংস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার প্রভৃতি যতটা সম্ভব সব কিনে ফেলছে। আমি নিশ্চিত, নতুন করে পণ্য না আনলে ওই সুপারশপের নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের স্টক শেষ হয়ে গেছে। বিভিন্ন কাঁচাবাজারেও একই অবস্থা শুনলাম। যাদের টাকার সমস্যা নেই, লকডাউনের খবর শুনে তারা দীর্ঘ সময়ের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে পণ্যদ্রব্য কিনে রাখছে। হয়তো তারা মনে মনে চাচ্ছেন, লকডাউন দীর্ঘমেয়াদি হোক। এই যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য কিনে বাজারে কৃত্রিম চাহিদা সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং এর ফলে পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেলে সাধারণ মানুষগুলো যে বিপদে পড়বে, সেটা কি সেই পয়সাওয়ালা মানুষগুলো ভেবে দেখেছে? পেটে আর কত খাবার ধরবে? বাড়িতে খাবার মজুদ করে রেখে আসলে কী লাভ? আমাদের তো খাদ্যে কোনো সংকট নেই। তারপরও কেন এই আত্মকেন্দ্রিক কার্যক্রম? লকডাউন তো দেয়া হয়েছে মানুষকে ঘরে রাখার জন্য, বাড়িতে পণ্য মজুত করে রাখার জন্য নয়। গত বছর মার্চ, এপ্রিল মাসের কথা সবারই মনে আছে। ২-৩ টাকার মাস্ক ২৫-৩০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে। অনেক গরিব মানুষ ওয়ানটাইম মাস্কও বারবার ধুয়ে ব্যবহার করেছে। আমরা কি অতি চালাক নাকি বেশি বোকা? উত্তর যা-ই হোক, তবে নিজেদের স্বার্থ খুব ভালো বুঝি। আর এই স্বার্থপরতার জন্য অন্যদের বিপদে ফেলতে আমরা পিছপা হই না।

    আমাদের অনেক ব্যবসায়ী এই সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন। যদি কোনো পণ্যের চাহিদা তৈরি হয়, সঙ্গে সঙ্গে তার মূল্য বাড়িয়ে দেয়া হয়। অনেক সময় গুজব তৈরি করেও মূল্য বাড়ানো হয়। ৪০ টাকা কেজিদরের চাল একদিন পর হয়ে যায় ৪৮-৫০ টাকা। মধ্যবিত্ত পরিবার চাইলেই কিন্তু বেশি পরিমাণে কিনে রাখতে পারে না। কারণ তার আয় নির্দিষ্ট আর কোথায় কী খরচ করবে, সেটা আগে থেকেই নির্ধারিত। যে কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর দাম বেড়ে গেলে, তাদের খাদ্যের তালিকা কিংবা পরিমাণ বিবেচনা করতে হয়। হয়তো আগে সপ্তাহে চারদিন দুপুরে মাছ খেত, এখন দুদিন খাচ্ছে। সয়াবিনের পরিবর্তে পামঅয়েল কিনছে। আগে সকালবেলা পরিবারের চার সদস্য চারটি ডিম খেত, এখন ২টি ডিম ভাগ করে চারজন খাচ্ছে। মধ্যবিত্তরা চাইলেই সন্তানের টিউশনি বন্ধ করে দিতে পারে না, গ্রামে মা-বাবার কাছে টাকা পাঠানো বন্ধ করতে পারে না। কারও কাছে হাত পাততে পারে না। পারে শুধু খাদ্যতালিকা পরিবর্তন করে জীবনমান পরিচালনা করতে। সরকারের টিসিবি থাকায় কিছুটা স্বস্তি। কিন্তু সেখানেও অনেক সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। আগেই বলেছি, দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে কেনা, এটা অনেকের জন্যই আবার স্বস্তিদায়ক। আমাদেরই আবার কিছু মানুষ আছে, যারা টিসিবি থেকে পণ্য কিনে খুচরা বাজারে বিক্রি করে।

    নিন্মবিত্তের কথা যদি বলতে হয়, তাহলে ছোট একটা ঘটনা ব্যাখ্যা করি, যদিও বিষয়টি সবক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। গত বছরের ঘটনা। আমার এক ব্যাচমেট শাহাদাত হোসেন। মোবাইল ফোনে ওর সঙ্গে কথা হচ্ছিল। কভিডকালের এই সময়ে অন্য কোনো বিষয়ে আলোচনার সুযোগ ছিল না।

    শাহাদাত: মার্চের ৩১ তারিখ, কাজের গৃহকর্মীকে ছুটি দিয়ে দিয়েছি। তারপরও পরদিন সকালবেলা সে হাজির।

    আমি: তা সমস্যা কোথায়?

    শাহাদাত: সে এসেছে মূলত ত্রাণের চাল, আলু আর পেঁয়াজ বিক্রি করার জন্য।

    আমি: বুঝলাম না।

    শাহাদাত: সে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ত্রাণের চাল, ডাল, লবণ, পেঁয়াজ পেয়েছে। তার জামাই পেয়েছে, ছেলেও পেয়েছে। এখন এত খাবার ঘরে রেখে কী করবে? যদি আমরা কিছু কিনি, তাই বিক্রি করতে এসেছে। দামও কম রাখবে, সেই আশ্বাসও আমাদের দিয়েছে। আমি অবাক হয়ে শুনলাম। বলার আর কী আছে?

    মধ্যবিত্তদের কীভাবে খরচ করা উচিত, সেটা পরামর্শ দেয়া বোকামি। কারণ এদের মতো হিসাবি জীবন কেউ পার করে না। শিক্ষিত হওয়ার কারণে এরা ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কিত থাকে। কিছু সঞ্চয়ের চেষ্টা করে। একটা টাকাও এরা অহেতুক অপব্যয় করতে পারে না। মধ্যবিত্তরা কিন্তু সাহায্য চায় না। মধ্যবিত্তের শিক্ষা, সামাজিক অবস্থান, রাজনৈতিক সচেতনতা রয়েছে। মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশ আমাদের মধ্যবিত্ত। তাদের সীমিত আয়, যা দিয়ে কেবল মৌলিক চাহিদাগুলোই পূরণ সম্ভব। এখানে বিলাসিতার সুযোগ নেই। মধ্যবিত্তের আয় নির্দিষ্ট হওয়ার কারণে হিসাব সবসময় সমন্বয় করে চলতে হয়। সরকার ইতোমধ্যে ঘোষণা দিয়েছে, প্রয়োজনীয় কোনো কিছুরই সংকট নেই। তাই কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকটের মাধ্যমে পণ্যে বা সেবার মূল্য যেন বৃদ্ধি না পায়, সেটা অবশ্যই কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন। কারণ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য হঠাৎ করে বৃদ্ধি পেলে, আয়-ব্যয়ের হিসাবে সমন্বয় করতে কষ্ট হবে, যা অবশ্যই কাম্য নয়। আর মধ্যবিত্তের চাওয়া অনেক সীমিত। একটা নিরিবিলি, সুন্দর, স্বাভাবিক জীবন।

    তথ্য মতে, করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১ এপ্রিল থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত মারা গেছে ৬১৫ জন। শুধু ১০ এপ্রিল মারা গেছে ৭৭ জন এবং দেশে এযাবৎ কালের মধ্যে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ। আক্রান্তের সংখ্যাও বাড়ছে। প্রতিদিন করোনায় এত সংক্রমণ, এত মৃত্যু! কে কখন চলে যাবে, কে জানে? আইসিডিডিআর,বির তথ্য মতে, আমাদের দেশে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপজ্জনক ভ্যারিয়েন্ট দ্বারা করোনার সংক্রমণ হচ্ছে। গত মাসের ১২ থেকে ১৭ মার্চের মধ্যে ৯৯টি করোনা রোগীর নমুনা বিশ্লেষণ করে ৬৪টি অর্থাৎ ৬৪ শতাংশের বেশি দক্ষিণ আফ্রিকার ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। এরপর ১৮ থেকে ২৪ মার্চের মধ্যে করোনা রোগীদের ৫৭টি জিনোম সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ করে ৪৬টি অর্থাৎ ৮০ শতাংশেরও বেশি দক্ষিণ আফ্রিকার করোনা ভ্যারিয়েন্ট পাওয়া গেছে। এটা আমাদের জন্য দুঃসংবাদ। কারণ দক্ষিণ আফ্রিকার এই ভ্যারিয়েন্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং এর সংক্রমণ ক্ষমতা বেশি। এই কঠিন সময়ে উদ্বিগ্ন না হয়ে আমাদের সচেতনতা বেশি প্রয়োজন।

    প্রতিদিনই করোনাভাইরাসজনিত রোগে (কভিড) আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা আমরা দেখতে পাচ্ছি। মৃত্যু কত সহজ হতে পারে, সেই ধারণাও আমরা পেয়ে গেছি। কিন্তু তারপরও বিবেকবোধ আমাদের কতটা জেগে উঠেছে, সেটাই প্রশ্ন? সবার কাছে অনুরোধ থাকবে, দয়া করে করোনার এই মহামারির সময় প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাদ্যদ্রব্য কিনে মজুদ করবেন না। যতটুকু প্রয়োজন, ততটুকুই কেনেন। কৃত্তিম চাহিদা সৃষ্টি করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েন না। মধ্যবিত্তদের সমন্বয় তত্ত্বনির্ভর জীবনে আর যেন সমন্বয়ের বাড়তি বোঝা চাপাতে না হয়, সে দিকটা আমাদের সবার লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন। ভালো থাকুক মধ্যবিত্ত, নি¤œবিত্ত, উচ্চবিত্ত সবই।

    যুগ্ম পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক

সারাদেশ

  • চট্টগ্রামে বিদ্যুকেন্দ্রে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত ৪
    চট্টগ্রামে বিদ্যুকেন্দ্রে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত ৪

    নিজস্ব সংবাদদাতা, চট্টগ্রামঃ জেলার বাঁশখালীতে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ৪ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন।

    শনিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় গুলিবিদ্ধ ৬ জনকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওই ঘটনায় অন্যান্য আহতদের বাঁশখালী মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে

    বাঁশখালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজিজুল ইসলাম চারজনের মৃত্যুর তথ্য জানিছেন। তিনি বলেন, সকালে কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকপক্ষের সঙ্গে বেতনভাতা নিয়ে শ্রমিকদের ঝামেলা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে সংঘর্ষ শুরু হয়। এর জেরে ৪ জন নিহত হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।

    অন্যদিকে, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন জানান, বাঁশখালী বিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিকদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে। ওই সংঘর্ষে চারজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছেন বলেও জানান তিনি।

    আমাদেরবাণী/মৃধা