Shadow

আমি নিজেও করোনা রোগী’, আদালতে সাহেদ

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা;  করোনাভাইরাস নমুনা পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় রিজেন্ট হাসপাতাল ও রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে ১০ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। এদিকে, রিমান্ড শুনানিতে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে সাহেদ বলেন, ‘আমি নিজেও করোনা রোগী।’

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ২০২০)  ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিমের আদালতে শুনানিতে মো. সাহেদকে আদালতে তুলে ১০ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষে বিচারক জানতে চান তার কিছু বলার আছে কিনা। তখন কেঁদে ফেলেন সাহেদ।

বিচারকের উদ্দেশে সাহেদ বলেন, ‘আমি দেড় মাস ধরে করোনায় আক্রান্ত। আমার বাবা করোনায় মারা গেছেন। আমি মার্চে প্রথম দিন যখন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যাই, তখন তারা আমাকে আমার হাসপাতালের লাইসেন্স নবায়ন করতে বলেন। তখন আমি বলি আমার লাইসেন্সের ঘাটতি আছে। তখন তারা বলে যে লাইসেন্স নবায়নের জন্য সোনালী ব্যাংকে টাকা জমা দেন। আমি তাদের কথা মতো টাকা জমা দেই। সারা দেশে করোনা চিকিৎসার কাজ বেসরকারিভাবে আমরাই শুরু করেছি। তারপরেও আমার সবগুলো প্রতিষ্ঠানকে সিলগালা করা হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সাহেদকে কঠোর নিরাপত্তা মধ্য দিয়ে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে নেওয়া হয়। বুধবার সকালে সাতক্ষীরায় গ্রেপ্তার করে ঢাকায় আনার পর রাতে তাকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) হাজতখানায় রাখা হয়।

  ১৫ দিনের মধ্যে রাজউকের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের তালিকা প্রকাশের দাবি

এর আগে বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্ত থেকে অবৈধ অস্ত্রসহ সাহেদ গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। তার বিরুদ্ধে দেবহাটা থানায় অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পরই তাকে ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।

এর আগে গত ৬ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর কার্যালয়ে র‌্যাবের অভিযানের পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। পরে ৭ জুলাই স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশে র‌্যাব রিজেন্ট হাসপাতাল ও তার মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয়। সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে ওই দিনই উত্তরা পশ্চিম থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়। তার হাসপাতালের কার্যক্রমও সরকারের নির্দেশে বন্ধ আছে।

আমাদের বাণী ডট কম/১৫ জুলাই ২০২০/পিপিএম

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •