ঢাকাঃ দলের ত্যাগী, দুর্দিনের পরীক্ষিত ও নিবেদিত নেতাকর্মীদের কমিটিতে মূল্যায়ন এবং বিতর্কিত কেউ যাতে প্রবেশ করতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই দলীয় কমিটি গঠন করার বারংবার নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

ত্যাগী, মেধাবী, স্বচ্ছ ইমেজধারী এবং ওয়ান ইলেভেনের পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়নের চিন্তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। সোহেল শাহরিয়ার রানা তেমনি একজন ত্যাগী, মেধাবী, স্বচ্ছ ইমেজধারী এবং ওয়ান ইলেভেনের পরীক্ষিত নেতা। যিনি ১/১১ সময় যখন সারা দেশে বিএনপি -জামাতের নির্যাতনে নেতা কর্মীরা ঘর থেকে বাহির হয়নি, ঠিক সেই সময়ের তরুণ ছাত্রনেতা বৃহত্তর মতিঝিল থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল শাহরিয়ার রানার নেতৃত্বে ঢাকার রাজপথে জয়বাংলা স্লোগান নিয়ে হাজারো ছাত্র নেতা জীবনের ভয় না করে বিএনপি-জামাত সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছিল। সত্যের পক্ষে থেকে প্রতিবাদের ফল হিসাবে তাকে বহু হামলা, মামলার শিকার হতে হয়েছে। ২০০৭ সালের ১০ এপ্রিল জামাতের করা মিথ্যা মামলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়। যে মামলায় ত্যাগী এই ছাত্রনেতাকেও আসামি করা হয়। এরকম অসংখ্য মিথ্যা মামলা, জেল-জুলুম, নির্যাতন ও নিপীড়নের শিকার হয়েছেন সোহেল শাহরিয়ার রানা।

  রিজভীর বিরুদ্ধে পুলিশ সদস্যদের হত্যাচেষ্টার মামলা

আজ বাংলাদেশে আঠারো কোটি মানুষের মধ্যে উনিশ কোটি আওয়ামী লীগ। সবাই পদ পদবি নিয়ে বসে আছে। তবে সোহেল শাহরিয়ার রানার মত ত্যাগী নেতারা কি মূল্যায়ন পাচ্ছে? আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে যারা পাশে ছিলনা তারা আজ পাঁচ বোতামের কালো কোট পরে মুজিব কর্মী পরিচয় দেয়। অনেকেই কালো মুখোশের আড়ালে অন্যায় করে যাচ্ছে। এই সব কালো মুখোশধারীদের জন্যই সোহেল শাহরিয়ার রানার মত অনেক ত্যাগী নেতা মূল্যায়ন পাচ্ছে না। তবে মুখোশধারী আওয়ামী লীগের সংখ্যা বেশি নয়। তাই কি? কথায় আছে দুষ্টু গরু থেকে শূন্য গোয়াল অনেক ভাল। তবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ত্যাগী কর্মীদের জন্য শান্তির বার্তা দিয়ে দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স নীতি এবং ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করার জন্য দলকে নির্দেশ দিয়েছেন। সে বার্তায় আবার আশার আলো দেখতে পাচ্ছে সোহেল শাহরিয়ার রানার মতো ত্যাগী নেতারা। তার রাজনীতিতে ফিরে আসার মাধ্যমে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগ আবার যোগ্য নেতৃত্ব পাবে। সোহেল শাহরিয়ার রানার মত নেতারা মূল্যায়িত হলে দুঃসময়ের ত্যাগি নেতারা যারা সুময়ের পংখীরাজদের ভিড়ে রাজনীতিতে কোণঠাসা, নিষ্ক্রিয় তারা আরও সক্রিয় হয়ে উঠবে।