আগামী ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত সৈকতসহ জেলার সব বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে জেলা প্রশাসনের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে কার্যকর করা হবে। তবে হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে খোলা থাকবে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিন আল পারভেজ বলেন, মধ্যরাত (বৃহস্পতিবার) থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। একাধিক ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালাবে। আজ থেকেই কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন ও টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া যেকোনো ধরনের সভা-সমাবেশ গণজমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন।

কক্সবাজার হোটেল-মোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম শিকদার বলেন, এখন কক্সবাজারে অন্তত ৩০-৪০ হাজার পর্যটক রয়েছেন। তারা কী করবেন বা তাদের প্রস্থানের বিষয় নিয়ে কাল জেলা প্রশাসনের সাথে বৈঠকে বসবেন তারা।

  কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ!

কক্সবাজারের সিভিল সার্জন মাহবুবুর রহমান বলেন, গত ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত ঝুঁকিতে থাকা কক্সবাজারের করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ছিল। তখন শনাক্তের হার ছিল দৈনিক তিন–চারজন। এখন লোকসমাগম বেড়ে যাওয়ায় সংক্রমণের হারও বেড়েছে। এখন দৈনিক ৩০-৪৫ জন শনাক্ত হচ্ছেন।

কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের এসপি মো. জিললুর রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে সৈকতে কাউকে নামতে দেয়া হবে না। এ বিষয়ে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

এর আগে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত, বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র, বিনোদনকেন্দ্র ও সিনেমা হল ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেয়া হয়।