চার ডাক্তার বিষয়ে দুঃখপ্রকাশ করলেন মাশরাফি

ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা;   গত শনিবার মাশরাফির শরীরে কোভিড-১৯ ধরা পড়ার পর থেকে নিয়ম মেনে নিজেকে ঘরে আটকে রেখেছেন তিনি। ফলও পাচ্ছেন, এই মুহূর্তে তার শারীরিক অবস্থা সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন মাশরাফির বাল্যবন্ধু বাবলু।

  • দুই দিন আগে অবশ্য কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল মাশরাফিকে। সেই পরীক্ষার ফলও সন্তোষজনক। আপাতত কোনও সমস্যা নেই বলে জানালেন বাবলু, ‘মাশরাফির যেহেতু অ্যাজমার সমস্যা ছিল, এই কারণে সতর্কতা হিসেবে পরীক্ষা করা হয়েছে। এক্স-রেতে কোনও ত্রুটি পাওয়া যায়নি। এই মুহূর্তে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী মাশরাফি সবকিছু করছে। ভাবিসহ আমরা কয়েক বন্ধু মাশরাফির সঙ্গে আছি।’

তবে করোনায় আক্রান্ত হলেও কাজকর্ম থেমে নেই নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফির। হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দিচ্ছেন তিনি। এই গ্রুপে প্রশাসনের অনেক কর্তাব্যক্তিরাই আছেন। কোনও সমস্যা হলে সবকিছু দেখভাল করছেন মাশরাফির ব্যক্তিগত সহকারী জামিল আহমেদ সানি।

  • সানি বলেন, ‘ভাই (মাশরাফি) অসুস্থ হলেও তার কাজ থেমে নেই। সবকিছুই অনলাইনে তিনি দেখছেন। আমাদের একটা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ আছে। ওখানে ডিসি-এসপিরা আছেন। কোনও দিক-নির্দেশনার প্রয়োজন হলে উনি ওখানেই দিচ্ছেন। এছাড়া কোথাও যোগাযোগের প্রয়োজন হলে আমি করছি। কোথাও যেতে হলে আমি যাচ্ছি।’

রাজনৈতিক কাজকর্ম ছাড়াও টিভি দেখে সময় কাটছে বাংলাদেশের সফলতম অধিনায়কের। লা লিগা ও প্রিমিয়ার লিগের খেলা দেখছেন বন্ধুদের সঙ্গে।

  • এর পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার খেতে হচ্ছে মাশরাফির। খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে তার বিশেষ কোনও আকর্ষণ কখনোই ছিল না। ফলে বিরক্তি নিয়েই খেতে হচ্ছে খাবার।
  ফিফা র‌্যাংকিং: তিন ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ

এদিকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনের সর্বশেষ (২৫ জুন ২০২০) তথ্য অনুযায়ী, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৯ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। ফলে ভাইরাসটিতে মোট ৬১৬২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৬ জন। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৫৩ ।  গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৭ হাজার ৯৯৯টি। শনাক্তের হার ২১.৯২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮২৯ জন এবং এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৫১ হাজার ৪৯৫ জন। সুস্থতার হার ৪০.৬৭% এবং মৃত্যুর হার ১.২৮ শতাংশ। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানানো হয়, পুরুষ ৩২ জন ও নারী ৭ জন। বয়স বিশ্লেষণে জানা যায়, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৩১-৪০ একজন, ৪১-৫০ সাতজন, ৫১-৬০ ৯ জন, ৬১-৭০ ১২ জন এবং ৭১-৮০ সাতজন এবং ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন। হাসপাতালে মারা গেছেন ২৮ জন এবং বাড়িতে ১১ জন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ৬৪৫ জনকে। আইসোলেশন থেকে ছাড় দেয়া হয়েছে ৩৭৪ জনকে।

আমাদের বাণী ডট কম/২৫ জুন ২০২০/পিপিএম