হাসান জামিল সাত্তার

ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা; বিশিষ্ট শিল্পপতি ও কুমিল্লার দাউদকান্দির কৃতী সন্তান হাসান জামিল সাত্তার (৭০) করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মারা গেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২০) ভোর সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী এক ছেলে, এক মেয়ে ও এক ভাইসহ অনেক আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

হাসান জামিল সাত্তারের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ভাতিজা ও দাউদকান্দি পৌরসভার মেয়র নাঈম ইউসুফ সেইন।

তিনি বলেন, চাচা কিডনিসহ শারীরিক নানা সমস্যায় অসুস্থ ছিলেন। এছাড়াও তিনদিন আগে তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসার পর তাকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে তিনি মারা গেছেন।

প্রবাসী স্বজনরা দেশে আসার পর শুক্রবার (২৬ জুন) বেলা ১১টায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে দাউদকান্দির হাসানপুর শহীদ নজরুল ইসলাম সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থানে হাসান জামিল সাত্তারের মরদেহ দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হাসান জামিল সাত্তারের মৃত্যুর খবরে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া ও দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী সুমনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।

  পল্টন মোড়ে হরতাল সমর্থকদের অবস্থান

এদিকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনের সর্বশেষ (২৫ জুন ২০২০) তথ্য অনুযায়ী, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৯ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। ফলে ভাইরাসটিতে মোট ৬১৬২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৪৬ জন। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ২৬ হাজার ৫৫৩ ।  গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৭ হাজার ৯৯৯টি। শনাক্তের হার ২১.৯২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮২৯ জন এবং এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৫১ হাজার ৪৯৫ জন। সুস্থতার হার ৪০.৬৭% এবং মৃত্যুর হার ১.২৮ শতাংশ। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানানো হয়, পুরুষ ৩২ জন ও নারী ৭ জন। বয়স বিশ্লেষণে জানা যায়, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৩১-৪০ একজন, ৪১-৫০ সাতজন, ৫১-৬০ ৯ জন, ৬১-৭০ ১২ জন এবং ৭১-৮০ সাতজন এবং ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন। হাসপাতালে মারা গেছেন ২৮ জন এবং বাড়িতে ১১ জন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ৬৪৫ জনকে। আইসোলেশন থেকে ছাড় দেয়া হয়েছে ৩৭৪ জনকে।

আমাদের বাণী ডট কম/২৫ জুন ২০২০/পিপিএম