Shadow

কী করব? শিক্ষকতা করে পেটে ভাত নেই, বাধ্য হয়ে ফুটপাতে ৩৭ দিন

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

টানা ৩৭ দিন ধরে বাদ পড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সড়কের পাশে ফুটপাতে আন্দোলন অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষকরা। এসব শিক্ষকদের সঙ্গে ছোট ছোট শিশুরাও রয়েছে। সেখানে দেখা গেল এই করুণ দৃশ্য।

টানা আন্দোলনেও দাবি পূরণ হয়নি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের। তার ওপরে গত ২০ দিন ধরে পালিত হচ্ছে শিক্ষকদের আমরন অনশন। আন্দোলনে এ পর্যন্ত ২৪৮ জন শিক্ষক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাদের মধ্যে ১০ জন শিক্ষক ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ থেকে বাদ পড়া সারাদেশে প্রায় ৪ হাজার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিদ্যালয় জাতীয়করণের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। জাতীয়করণ থেকে বাদ পরা এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষক রয়েছেন। তার মধ্যে ১ হাজার ৩০০টির মতো প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের জন্য যাচাই-বাছাই করা হলেও তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে বলে দাবি আন্দোলনকারীদের।

বিভিন্ন জেলা থেকে আসা বেশ কিছু নারী শিক্ষক এ আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। তাদের অনেকে নিজের ছোট শিশুকে নিয়ে ফুটপাতে বসে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। সোমবার (২২ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, তীব্র রোদ আর ধুলাবালির মধ্যে খালি গায়ে শিশুদের শুইয়ে রাখা হয়েছে। গরমে শিশুদের শরীর থেকে টপটপ করে ঘাম ঝরলে মা তার শাড়ির আঁচল দিয়ে তা মুঝে দিচ্ছেন। কোনো কোনো শিশু তীব্র গরম সহ্য করতে না পেরে চিৎকার করে কাঁদছে।

  রাজধানীতে লকডাউন কিছুটা শিথিল

আন্দোলনে যোগ দেয়া বরগুনা জেলার বিলকিস আক্তার নামে এক শিক্ষক বলেন, ‘কী করব? শিক্ষকতা করে পেটে ভাত নেই, তাই বাধ্য হয়ে ঘর ছেড়ে রাজপথে এসে আন্দোলন করতে বাধ্য হয়েছি।’

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *