Shadow

কুষ্টিয়ায় নমুনা না দিয়েই গোলাম রসুলের করোনা শনাক্ত

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

কুষ্টিয়া জেলা সংবাদদাতা;  কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবের প্রকাশিত রিপোর্টে গোলাম রসুল (৬২) নামে এক ব্যক্তি নমুনা না দিলেও করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শহরের পূর্ব মজমপুর এলাকার বাসিন্দা গোলাম রসুল (৬২) কুষ্টিয়া ২৫০ শষ্যবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগে অবসরপ্রাপ্ত এমএলএসএস।

গতকাল বুধবার (২৪ জুন ২০২০) কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ পিসিআর ল্যাবে ১২৮টি নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়। যার মধ্যে ২৭জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। এর মধ্যে নমুনা না দিলেও গোলাম রসুলের করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। যা নিয়ে জেলাজুড়ে উঠেছে আলোচনা- সমালোচনার ঝড় । অনেকেই বলছেন দায়িত্বশীলদের দায়িত্বহীনতায় এর মূল কারণ। করোনা ভাইরাসের মতো এতো স্পর্শ কাতর বিষয় নিয়ে এই ধরনের দায়িত্বহীনতা কাম্য নয়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গোলাম রসুল জানান, গত ২৩ জুন সে করোনা পরীক্ষা করার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেল হাসপাতালে যায়। কিন্তু অনেক ভিড় থাকার কারণে নমুনা না দিয়েই চলে আসেন তিনি। পরবর্তী সময়ে সে জানতে পারে তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। নমুনা না দিয়ে কিভাবে তার করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এলো তা বোধগম্য নয়।

তিনি আরও বলেন, করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসার পর থেকে তিনি বিভিন্নভাবে হেনস্তার শিকার হচ্ছেন।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন  আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমরা শুনেছি। ইতিমধ্যে সংশোধনের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কুষ্টিয়া সদর উপজেলা নির্বাহি অফিসার (ইউএনও)  জুবায়ের হোসেন চৌধুরী জানান, সিভিল সার্জন যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটা তার নিজস্ব বক্তব্য তবে এ বিষয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই তবে আমি ফেসবুকের মাধ্যমে জেনেছি বিষয়টি খতিয়ে দেখবো।

  খোকসা 'কমিউনিটি লাইব্রেরি'র উদ্যোগে তালের আঁটি রোপন

কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক নূরুন্নাহার বেগম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে ওই ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহের জন্য নাম ঘোষণা করা হলে তার স্থলে অন্য কেউ চেয়ারে বসে নমুনা দিয়েছেন। গোলাম রসুলের স্থলে যিনি নমুনা দিয়েছেন তাকে খোঁজা হচ্ছে। কারণ তিনি তো করোনা পজিটিভ। তার মাধ্যমে অনেকেই এখন সংক্রমিত হতে পারেন।

উলেখ্য, কুষ্টিয়ায় আজ নতুন করে আরও ৩৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৯৭ জনে। মারা গেছেন ৬ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ্য হয়ে হাসপাতালের ছাড়পত্র পেয়েছেন মোট ১২৭ জন। বর্তমানে হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন ৩৪৪ জন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ২০ জন।

আমাদের বাণী ডট কম/২৫ জুন ২০২০/পিপিএম

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •