বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ অসুস্থ। সরকারের প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ কারাবন্দী ছিলেন। এখন তার উন্নত চিকিৎসা দরকার। কিন্তু তাকে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতি সরকার দিচ্ছে না। তার মানে হলো-এই সরকার চায় এমনি করে খালেদা জিয়া তিলে তিলে মারা যাক। তাদের (আওয়ামী লীগ) নেত্রীর বিদেশে চিকিসার বাধা না থাকলে জনগণের নেত্রী যিনি দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার ক্ষেত্রে বাধা কেন। জনগণের নেত্রীর কিছু হলে জনগণের রোষানলে পড়তে হবে। এর জবাব সরকারকে একদিন না দিন সরকারকে দিতে হবে।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে তাঁতী দলের উদ্যোগে খালেদা জিয়া সুস্থতা কামনা করে ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, তাঁতী দলের আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ বক্তব্য দেন।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির কারণে মানুষের কাজ কর্ম নেই, তারা ঘরে ক্ষুধার যন্ত্রণায় ছটফট করছে। অন্যদিকে সরকারের লোকজন দেশটাকে লুটপাট করে খাচ্ছে, দেশের কোষাগার খালি করে দিচ্ছে।

  এ বাজেট অবাস্তবায়নযোগ্য ও কল্পনাপ্রসূত: ফখরুল

তিনি আরও বলেন, সরকার দুর্নীতির মাধ্যমে পাহাড়সম টাকা বিদেশে পাঁচার করেছেন। এই টাকাগুলোকে দেশে আনুন। অসহায়-দুঃস্থ মানুষ, শ্রমজীবী মানুষকে যত দিন পর্যন্ত করোনাভাইরাস থেকে দেশমুক্ত না হয় ততদিন তাদেরকে মাসোহারা অনুদান দিতে হবে, তাদেরকে বাঁচাতে হবে। মানুষ যদি বাঁচে তাহলে দেশ বাঁচবে কী করে? সেজন্য বলব, আপনারা যে পরিমান টাকা লুটপাট করেছেন তার যদি ১০ ভাগের এক ভাগ টাকা এই সাধারণ শ্রমজীবী মানুষকে দেন তাতে যদি ৫ বছরেও যদি করোনা মহামারী থাকে তাতেও মানুষ না খেয়ে মরার কোনো সুযোগ নাই।

ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, এখনো সময় আছে দুর্নীতি ছাড়েন, জনগণের ক্ষমতা জনগণকে ফিরিয়ে দিন। কোনো গোষ্টি বা ব্যক্তি ক্ষমতা দখল করে টিকে থাকতে পারেনি।