Shadow

চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০ টাকার হ্যান্ড গ্লাভস ৩৫ হাজার, ১৫ টাকার টিউব ৫৬ হাজার টাকা

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের পর চট্টগ্রামে নতুন মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনেও যেন বালিশের ভূত ভর করেছে। দেশের দ্বিতীয় এ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনায় (ডিপিপি) ৭৫০ টাকার বালিশ ক্রয়ে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ২৭ হাজার ৭২০ টাকা, আর বালিশের কাভারের দাম ধরা হয়েছে ২৮ হাজার টাকা, যার বাজার মূল্য ৫০০ টাকা। এছাড়া মাত্র ২০ টাকার হ্যান্ড গ্লাভসের দাম ধরা হয়েছে ৩৫ হাজার টাকা, আর ১৫ টাকার টেস্ট টিউবের দাম ধরা হয়েছে ৫৬ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, এই ডিপিপিতে ভুল হয়েছে। যারা এ ডিপিপির সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

‘নিরন্তর গবেষণা : উন্নততর চিকিৎসা ও শিক্ষার সোপান’ শীর্ষক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা দিবস – ২০১৯ উদযাপন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তো গতকালই দেশে এসেছি। এটা অবশ্যই আমি দেখব। এ ডিপিপিটি সবেমাত্র প্রস্তাব আকারে গেছে। এ ধরনের একটি প্রস্তাব প্রায় ২ হাজার পেজের হয়। এতে হাজার হাজার আইটেম থাকে। সেখানে যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে, পরিকল্পনা কমিশন এগুলোর বিষয়ে আমাদের বলেছে। এগুলো ঠিক করে দেয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

  শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট চান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি

তিনি আরও বলেন, ‘এটা অনুমোদন হয়নি এখনও। এসব ভুল যাচাই-বাছাই করে এটি প্রি-একনেকে অনুমোদন হবে। এরও পরে প্রকল্প পাসের জন্য একনেকে উঠবে। এখন প্রি-একনেকেই এটা অনুমোদন হয়নি। যেখানে ভুলভ্রান্তি হয়েছে, সেগুলো অবশ্যই ঠিক করে দেব।’

ডিপিপি থেকে জানা গেছে, দেশের স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক মানের মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করতে যাচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এজন্য ২২ তলাবিশিষ্ট এক হাজার বেডের দুটি হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হবে। এ ছাড়া ২০ তলাবিশিষ্ট দুই বেজমেন্টের প্রশাসনিক ভবন করা হবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রাম বন্দর বাইপাস সড়কের পাশে ২৮ দশমিক ৪২ একর জায়গা জুড়ে হবে বিশ্ববিদ্যালয়টি। প্রাথমিকভাবে প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। অনুমোদন পেলে চলতি বছর থেকে ২০২২ সালের জুন মাসের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হওয়ার কথা।

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *