Shadow

জৈন্তাপুরে উপসর্গ ছাড়াই করোনায় আক্রান্ত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ডেস্ক রিপোর্ট;  সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার কোন উপসর্গ ছাড়াই সরকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত। এনিয়ে জৈন্তাপুর উপজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৩।  শুরু থেকে এ পর্যন্ত ৬৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

জৈন্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সূত্রে জানায়, উপজেলা বিভিন্ন কর্মকর্তা ও কর্মচারী সরকারি কাজে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ও জেলায় যাতায়াত করেন। মেডিকেল টিম উপজেলার করোনা ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য উপজেলার কর্মকর্তা কর্মচারীরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন তাদের নমুনা সংগ্রহ কাজ শুরু করে। ২০ মে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসের পরিচ্ছন্নতা কর্মী রনি লাল দাসের কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে সিলেট ল্যাবে প্রেরণ করা হয়। ২২ মে রাতে রির্পোটে তাদের করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে।

বর্তমানে তাদের সিলেটস্থ নিজ নিজ বাসায় হোম আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। অপরদিকে জৈন্তাপুরে প্রথম করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি গত ৬মে সুস্থ হয়ে বাড়ী ফিরেন। উপসর্গ ছাড়াই ২জন কারোনা আক্রান্ত হওয়ায় জৈন্তাপুর উপজেলার গঠিত মেডিকেল টিম ২৩ মে শনিবার উপজেলার সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী ও জনপ্রতিনিধি সহ মোট ২১জনের নমুনা সংগ্রহ করে সিলেটের ল্যাবে প্রেরণ করে।

এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার আমিনুল হক সরকার জানান, উপজেলায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী ২জনের কোভিড-১৯ পজেটিভ ধরা পড়েছে। তাদের সিলেটের নিজ নিজ বাসায় রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। উপসর্গ ছাড়া ২জনের পজেটিভ আসায় আমরা ২৩ মে শনিবার উপজেলার ২১জনের নমুনা সংগ্রহ করি। তিনি আরও জানান উপজেলায় মোট ৬৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে, তার মধ্যে পূর্বের ৩৩ নেগেটিভ, ৩জনের পজেটিভ পাওয়া গেছে, নতুন ২১জনের রেজাল্ট পাওয়ার অপেক্ষায় আছি।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনের সর্বশেষ (২৩ মে ২০২০) তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও নয় হাজার ৯৭৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় আগের কিছু মিলিয়ে ১০ হাজার ৮৩৪টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো দুই লাখ ৩৪ হাজার ৬৭৫টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় আরও এক হাজার ৮৭৩ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩২ হাজার ৭৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ২০ জন। ফলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৫২ জনে। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২৯৬ জন এবং এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৬ হাজার ৪৮৬ জন। সুস্থতার হার ২০.২২ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১.৪১ শতাংশ। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানানো হয়, পুরুষ ১৬ জন ও নারী চারজন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ১৫ জন, বাড়িতে চারজন ও হাসপাতালে আনার পথে একজন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ২৮৬ জনকে। আইসোলেশন থেকে ছাড় দেয়া হয়েছে ৪১ জনকে।
আমাদের বাণী ডট কম/২৩ মে ২০২০/ভিপিএ

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  ‘গরীবের এ্যাম্বুলেন্স’ ব্যাপক সাড়া ফেলেছে রোগীদের সেবায়