স্কুল ছাত্রীকে কোচিংয়ে আটকে রেখে একাধিক বার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ধর্ষণে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়। এরপর ভুক্তভোগীর বাবা বাদি হয়ে মামলা করেন। এতে আসামি অভিযুক্ত শিক্ষক তারেকসহ ৫ জন।

সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন, বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নিশাত সালাউদ্দিন।

মামলার বিবরণে বলা হয়, প্রতিদিন কোচিং শেষে ঐ ছাত্রীকে আটকে রেখে ধর্ষণ করতেন শিক্ষক তারেকুর রহমান। ২৪ এপ্রিল ঐ ছাত্রীর অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি ধরা পড়ে। ৩০ এপ্রিল গ্রাম্য সালিশে ছাত্রীকে বিয়ের করার সম্মতি জানান শিক্ষক তারেক। কিন্তু বাচ্চা প্রসবের পর তাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়, তারেক ও তার পরিবার।

৩নং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. রফিকুল ইসলাম অভিযোগের বিস্তারিত শুনানির পর মামলাটি আমলে নিয়ে চৌদ্দগ্রাম থানাকে তদন্তসহ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করার আদেশ দেন।

  শুধু জুন মাসেই আক্রান্ত ৫ হাজার ৬৬১ জন

ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী জানায়, কোচিং সেন্টারে পড়ার সময় তারেকুর রহমান চৌধুরী তাকে ব্ল্যাকমেইল করে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে এ ঘটনা সে কাউকে বলেনি।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন-চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের জসিম উদ্দিন, তারেকুর রহমানের ভাই তৌফিকুর রহমান, তৌহিদুর রহমান ও রমজান আলী ভূঁইয়া।

বাদী পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নিশাত সালাউদ্দিন জানান, অভিযোগের বিস্তারিত শুনানির পর মামলাটি আমলে নিয়ে চৌদ্দগ্রাম থানাকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের আদেশ দিয়েছেন বিচারক। আশা করি ওই ছাত্রী ন্যায়বিচার পাবে।

আমাদের বাণী ডট কম/৫ অক্টোবর ২০২০/পিপিএম