জমে উঠেছে খোকসার ঈদ বাজার

সাধ ও সাধ্যের সমন্বয় সাধনেই চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে যেন চলছে একরকম বোঝাপড়ার ঘনঘটা। কেউ বা একটি পণ্যের সাথে আরেকটি পণ্য ছাড় দিয়েছে আবার কেউ বা একটি কিনতে পারে না আর একটি পণ্য ছাড় কিভাবে নেবে। তবুও ঈদ বলে কথা, ঈদের আনন্দ জন্য শিশুদের এক টুকরা পোশাক বা একটি স্যান্ডেল বা জুতা বা অন্য কিছুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ সেই সাধ এবং সাধ্যের সমন্বয় করতেই এখন ঈদের কেনাকাটা জমে উঠেছে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার বিপণি বিতানগুলো।

গার্মেন্টস কসমেটিকস জুতা স্যান্ডেল সহ সর্ব প্রকার পণ্য নিয়ে পসরা সাজিয়ে বসে আছে বিক্রেতাগণ। আয় বুঝে ব্যয় সেই নীতিতেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে চলছে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া না দেওয়ার শেষ মুহূর্ত টুকু। আর মাত্র কদিন পরেই মুসলিম ধর্মের সবচেয়ে উৎসবমুখর আনন্দমুখর পরিবেশে দিন ঈদের আনন্দ। আবাল বৃদ্ধ বনিতা সকলের জন্য এই আনন্দটুকু ভাগাভাগি করে নিতেই ঈদের কেনাকাটা যেন ধুম পড়েছে গ্রামীণ এই খোকসার জনপদে।

  মতলব উত্তরে করোনায় ১ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ৫

ছাড় দেওয়া বিভিন্ন বিপণি বিতান ও দোকানগুলো ঘুরে দেখা গেছে উপচে পড়া ক্রেতাদের ভিড়। তবে কে তাদের মধ্যে আনন্দের ছোঁয়া টা যেন ম্লান হয়ে রয়েছে। কৃষি প্রধান এলাকার মূল চালিকা শক্তি আর কৃষকের মূল বেচাবিক্রির মুহূর্তটাই হল ধান বিক্রি ধানের দাম না থাকায় কৃষকরা যেন অনেকটাই মুটিয়ে রয়েছে।

কথা হচ্ছিলো একতারপুর গ্রামের কৃষক রেজাউল করিমের সাথে যিনি ঈদের কেনাকাটা করতে এসেছে খোকসা বাজারে তিনি বললেন, ধান বিক্রি করে লোকসান হলেও ঈদ বলে কথা, ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে কমবেশি নিজের ছেলে সন্তানদের জন্য অবশ্যই কেনাকাটা করতে হবে তাই এসেছি খোকসা বাজারে।

বাজারের প্রসিদ্ধ ব্যবসায়ী আশা বস্ত্রালয় তিনি বললেন চাহিদা আগের তুলনায় একটু বেড়েছে তবে আশানুরূপ বেচাবিক্রি হয়নি। সামনে ঈদের আর মাত্র কটা দিন বাকি আছে দেখা যাক কতটুকু বিকিকিনি করতে পারি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *