Shadow

দুর্গাপুরবাসী স্বপ্ন দেখছে আ:মজিদকে নিয়ে,অনাস্থা নৌকার প্রার্থীর ওপর

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

আসন্ন ১০ মার্চ পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উক্ত নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যানপদে স্বতন্ত্র ভাবে ঘোড়া প্রতীকে নির্বাচন করছেন রাজশাহী জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি জামাত-বিএনপি দ্বারা নির্যাতিত দুর্গাপুর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ সরদার (বিএসসি)।

আব্দুল মজিদ সরদার ২০০৯ সালে দুর্গাপুরের সাধারন জনতার বিপুল ভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৪ নির্বাচনে স্থানীয় এমপির সাথে দ্বন্দ্বের কারনে নির্বাচন থেকে সরে দাড়ান। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে তিনি প্রার্থীতার মনোনয়ন ফরম উত্তলোন করেছিলেন। দল থেকে মনোনয়ন না পাওয়াই স্থানীয় এমপির সাথে মিলে মিশে নৌকার পক্ষে কাজ করে শেখ হাসিনার নিকট  উক্ত আসনকে উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রনী ভুমিকা রাখেন । সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন না পাওয়াই তিনি পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় তিনি ও তার ভক্ত সমর্থকগন হতাশ হন। এ দিকে বিএনপি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে না আসায় একাধিক প্রার্থী রাখার জন্য আওয়ামীলীগ বিদ্রহী প্রার্থী হবার ইঙ্গিত প্রদান করে। উক্ত সুযোগকে কাজে লাগিয়ে স্বতন্ত্র থেকে নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র উত্তোলন করেন আব্দুল মজিদ সরদার। তার মনোনয়ন পত্র উত্তোলন ও জমার খবর শুনে খুশি ও আনন্দে আত্নহারা হয় সাধারন ভোটাররা। তারা স্বত:স্ফুর্ত ভাবে আব্দুল মজিদ সরদারের নির্বাচনী প্রচারনাকে স্বাগত জানিয়ে তার প্রতিটা কর্মসুচীতে অংশগ্রহন করছে। উপজেলাতে ভোটের জরিপে ব্যাপক এগিয়ে আব্দুল মজিদ সরদার।

অন্যদিকে ভোটের মাঠে ধুকছেন আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম। ভোটের জরিপে পিছিয়ে পড়েছেন তিনি । সাধারন মানুষের ভাষ্যমতে জন-বিচ্ছিন হয়ে পড়েছেন তিনি। এছড়া আরও স্বতন্ত্র ভাবে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করছেন দলটির আরেক নেতা আব্দুল কাদের।

দুর্গাপুরের সাধারন ভোটারদের কথা সুখে দু:খে সব সময় আমাদের পাশে থাকেন আব্দুল মজিদ সরদার। তিনি একজন আওয়ামীলীগের ত্যাগী কর্মীও বিএনপি-জামাত কর্তৃক নির্যাতনের স্বীকার হওয়া ব্যাক্তি। আমরা তাকেই নৌকার মাঝি হিসেবে পেতে চেয়েছিলাম।

 দূর্ভাগ্যবসত তাকে পাইনি। কিন্তু আমরা আব্দুল মজিদ সরদারকেই উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।

উল্লেখ্য ” আব্দুল মজিদ সরদার দুর্গাপুর উপজেলার ৭ নং জয়নগর ইউনিয়নের পরপর দুইবার নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। পরে ২০০৯ সালে উপজেলা চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হন।  ২০০৩ সালে জামাত-বিএনপির ক্যাডাররা আব্দুল মজিদ সরদারকে হত্যার উদ্দেশ্য হাত পা ভেঙ্গে দুই পায়ের রগ কেটে মৃত ভেবে ফেলে রেখে যায়। পরে আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তার চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহন করেন। তিন মাস বিছানায় থাকার পর মৃত্যুর হাত থেকে ফিরে আসেন আব্দুল মজিদ সরদার

আমাদের বাণী/আ-আ-মা

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  কালুখালীতে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *