Shadow

ফের রিমান্ডে ডাক্তার সাবরীনার স্বামী আরিফ

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা;  করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির মামলায় জেকেজি হেলথ কেয়ারের মালিক আারিফুল হক চৌধুরীর ফের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আরিফ জেকেজির চেয়ারম্যান ডাক্তার সাবরীনার স্বামী।

আজ  বুধবার (১৫ জুলাই ২০২০) সাত দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে  ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মোহাম্মদ নোমান এ রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন। ডা. সাবরীনা বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন। গত ১৩ জুলাই আদালত সাবরীনার তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

জানা গেছে, গত ২৩ জুন আরিফকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নিলে জিজ্ঞাসাবাদে দোষ চাপিয়েছেন স্ত্রী সাবরীনার ওপর।

অন্যদিকে সাবরীনা বলেছেন, যা কিছু ঘটেছে তার দায় স্বামীর। তিনি জালজালিয়াতির বিষয়গুলো বুঝতে পারেননি। তাই মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ করে বিষয়টি পরিস্কার হতে আরিফকে ফের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, গত ২২ জুন জেকেজির সাবেক গ্রাফিক্স ডিজাইনার হুমায়ুন কবীর হিরু ও তার স্ত্রী তানজীন পাটোয়ারীকে আটক করে পুলিশ। হিরু স্বীকারোক্তি দিয়ে জানায়, তিনি ভুয়া করোনা সার্টিফিকেটের ডিজাইন তৈরি করতেন। এর সঙ্গে জেকেজি গ্রুপের লোকজন জড়িত। ওই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জেকেজির সিইও আরিফুলসহ চারজনকে আটক করে। সিইওকে জানায়, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনা চৌধুরীর জ্ঞাতসারেই সব কিছু হয়েছে।

ডা. সাবরীনা জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক। সাবরীনা আরিফের চতুর্থ স্ত্রী। তার প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী রাশিয়া ও লন্ডনে থাকেন। তৃতীয় স্ত্রীর সঙ্গে তালাক হয়েছে তার। চতুর্থ স্ত্রী ডা. সাবরীনার কারণেই করোনার নমুনা সংগ্রহের কাজ পায় জেকেজি হেলথ কেয়ার। প্রথমে তিতুমীর কলেজ মাঠে স্যাম্পল কালেকশন বুথ স্থাপনের অনুমতি মিললেও প্রভাব খাটিয়ে ঢাকা, নায়ায়ণগঞ্জ, নরসিংদী ও গাজীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে ৪৪টি বুথ স্থাপন করেছিল।

  ২৭ বছরে সরকারের কোন আর্থিক সহযোগিতা পায়নি বেসরকারি টিটিসি কলেজ

নমুনা সংগ্রহের জন্য মাঠকর্মী নিয়োগ দেন তারা। তাদের হটলাইন নম্বরে রোগীরা ফোন দিলে মাঠকর্মীরা বাড়ি গিয়ে এবং বুথ থেকেও নমুনা সংগ্রহ করতেন। এভাবে নমুনা সংগ্রহ করে তারা ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট প্রদান করেন। যার মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনা আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ জনের রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটি জাল-জালিয়াতির মধ্যেমে তৈরি করে। প্রত্যেক সার্টিফিকেট প্রদানের বিনিময়ে তারা ৫ হাজার টাকা করে নিয়েছেন।

আমাদের বাণী ডট কম/১৫ জুলাই ২০২০/পিপিএম

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •