বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রয়াত ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান সিথি বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন। প্রবাসী এক বাংলাদেশির সঙ্গে সিথির বিয়ের এই অনুষ্ঠান ঈদের পর লন্ডনে তারেক রহমানের বাড়িতে অনুষ্ঠিত হবে।

জানা যায়, সৈয়দা শর্মিলা রহমান সিথির বাগদান অনুষ্ঠানটি পরিবারের সদস্যদের খুব সীমিত সংখ্যক উপস্থিতিতে তারেকের বাসায় অনুষ্ঠিত হয়। সিথির বাগদত্তা লন্ডন প্রবাসী একজন ধনাঢ্য ব্যবসায়ী এবং বিএনপির শীর্ষ দাতাদের একজন। তার গ্রামের বাড়ি সিলেটে।

সিথির বাগদত্তার আগের ঘরে দুই সন্তান রয়েছে। কোকো মারা যাওয়ার পর থেকেই সিথির সঙ্গে তার যোগাযোগ বাড়ে। যদিও আগেই এই গুঞ্জন ছিল যে সিথি বাংলাদেশের রাজনীতিতে আগ্রহী। তবে সিথির হবু স্বামী তাকে ব্যবসায় সংযুক্ত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে অন্য একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, সিথির বাগদত্তা তাকে রাজনীতিতে সক্রিয় করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবেন।

  এবার করোনায় আক্রান্ত অর্থমন্ত্রীর বড় ভাই!

এদিকে, শারীরিক নানা জটিলতার জন্য খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। এ জন্য বুধবার রাতে আবেদন নিয়ে স্বনাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় গিয়ে দেখা করেছেন খালেদার পরিবার। আজ বৃহস্পতিবার সকালে এই আবেদন আইন মন্ত্রণালয় গ্রহণ করেছে, তবে বিশ্লেষণ করে অনুমতির বিষয়টি জানানো হতে পারে।

এর আগে ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো। কোকোর মৃত্যুর পর স্ত্রী শর্মিলা রহমান দুই মেয়ে নিয়ে মালয়েশিয়া থেকে লন্ডনে চলে যান। এখন তারা সেখানেই বসবাস করছেন।

শর্মিলা রহমান সিথি রাজনৈতিক কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত হননি। ২০১৯ সালে তিনি দেশে এসে শুধু তার মা ও শাশুড়ি খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে চলে যান। শাশুড়ির গুলশানের বাসায় অবস্থান করেন। সেখানে কোনো নেতাকর্মীর সঙ্গেও তিনি সাক্ষাৎ করেননি।