শিক্ষা মন্ত্রণালয়

শিক্ষককে জাতি গঠনের কারিগর বলা হলেও বেসরকারি শিক্ষকদের ক্ষেত্রে বঞ্চনা-বৈষম্য বেশি। প্রচলিত বিধি অনুযায়ী বেসরকারি কলেজে প্রভাষক পদে যোগদানের আট বছর পর ১ঃ৩ (প্রতি তিনজনে একজন) হারে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি হয়। এ আনুপাতিক হার সমগ্র কলেজভিত্তিক না হয়ে একক কলেজভিত্তিক হওয়ায় অপেক্ষাকৃত জ্যেষ্ঠ অনেক শিক্ষকের পদোন্নতি না হলেও অপেক্ষাকৃত কনিষ্ঠ অনেক শিক্ষকের পদোন্নতি হয়েছে।

অধিকন্তু আনুপাতিক হারের এ বেড়াজালে অনেক শিক্ষককে অবসর গ্রহণের পূর্ব পর্যন্ত একই (প্রভাষক) পদে চাকরি করতে দেখা যায়। এছাড়া কলেজ-শিক্ষকদের পদোন্নতিতে মেধার চেয়ে বয়সকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়! প্রচলিত বিধি অনুযায়ী শিক্ষকদের পদোন্নতি ও জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণে এমপিওভুক্তির তারিখ বিবেচনা করা উচিত। তবে একই তারিখে এমপিওভুক্ত হলে যোগদানের তারিখ প্রাধান্য পায়, তাতেও সমতা হলে জন্ম তারিখের ভিত্তিতে জ্যেষ্ঠতা নির্ধারিত হয়!

  'জাতীয়করণ আদায় ছাড়া বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মুক্তি নাই'

এক্ষেত্রে পরীক্ষার ফল-গবেষণা উপেক্ষিত। অষ্টম বেতন কাঠামোতে টাইম স্কেল গ্রেড না রাখায় পদোন্নতি বঞ্চিত প্রভাষকদের বঞ্চনা আরো বাড়ে। অধিকন্তু, বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের জন্য অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকের পদ না থাকায় তাঁরা হতাশাগ্রস্ত। এ অবস্থায়, পদোন্নতি পদ্ধতি সংস্কারের মাধ্যমে তাঁদের বঞ্চনা-হতাশা দূর করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

প্রভাষক, কামারখন্দ মহিলা ডিগ্রি কলেজ, সিরাজগঞ্জ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *