অনিয়ম ও দুনীতির অভিযোগে রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ হাসান ওদুদ কে সাময়িক ভাবে বহিষ্কার করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। একই সাথে পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ জালাল উদ্দিন বিশ্বাস কে উপজেলার সকল কার্যক্রম পরিচালনা সহ অর্থিক ক্ষমতা প্রদান করেছে ।

গত ৫ ই মে রাষ্টপতির আদেশ ক্রমে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব সামসুল আলম স্বক্ষরিত সাময়িক বরখাস্ত এর প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

পাংশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ হাসান ওদুদ এর বিরুদ্ধে উপজেলা পরিষদের অধিগ্রহনকৃত জমিতে ১০ টি দোকান আপন ও ফুপাত ভাইদের নামে বরাদ্দ দেওয়া, রাজস্ব তহবীল ব্যবহারের নির্দেশিকা অনুসরণ না করে গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের পরিবর্তে নিজেস্ব লোকের সন্তানদের মধ্যে বৃত্তি প্রদানের মাধ্যেমে অর্থ আত্বসাত করা ও উপজেলা পরিষদের ফান্ড থেকে পৌর এলাকায় প্রকল্প বরাদ্ধ দেওয়া সম্পর্কে আনীত অভিযোগ গুলি বিভাগীয় কমিশনারের তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় এ ব্যবস্থা গ্রহন করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়।

  ভেন্টিলেটরেই বেঁচে আছেন মোহাম্মদ নাসিম

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পাংশা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফরিদ হাসান ওদুদের বিরুদ্ধে উপজেলা পরিষদের অধিগ্রহণকৃত জমিতে নির্মিত ১০টি দোকান তার আপন ভাই ও ফুপাতো ভাইয়ের নামে বরাদ্দ দেওয়া।

রাজস্ব তহবিল ব্যবহারেরর নির্দেশনা অনুসরণ না করেই গবীর ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের পরিবর্তে নিজস্ব লোকের সন্তানদের বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ করাসহ বিভিন্ন অনিয়ম প্রমাণিত হওয়ার কারণে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোহাম্মদ সামছুল হক স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। গত ৫ মে (বুধবার) মন্ত্রণালয় থেকে এমন প্রজ্ঞাপন পেলেও বৃহস্পতিবার তাদের কাছে প্রজ্ঞাপনটি এসেছে।

উল্লেখ্য গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ফরিদ হাসান ওদুদ আনারস প্রতিকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০১৯ সালে ২৮ জানুয়ারী দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিয়োগে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলা আওয়ামীলীগ ফরিদ হাসান ওদুদকে বহিষ্কার করে। তখন তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।