করোনা পরিস্থিতির কারণে সারা দেশে চলছে সরকারঘোষিত কঠোর নিষেধাজ্ঞা। আকাশপথে উড়োজাহাজ ছাড়া রেলপথে ট্রেন, নৌপথে লঞ্চ ও সড়কপথে দূরপাল্লার গাড়ি বন্ধ। তবু থেমে নেই ঘরমুখী মানুষের স্রোত।

শুরুটা হয়েছিল ঈদের কয়েকদিন আগেই। ঘরমুখো মানুষের স্রোত তীব্র আকার ধারণ করে তিন দিন আগে। এমনকি গতকাল ঈদের দিনেও বহু মানুষ ঢাকা ছেড়েছে। ঢাকা ছাড়ার সেই ধারা অব্যাহত আছে আজও।

ঈদের পরদিন আজ শনিবারও শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড়। ঘাটে জনস্রোত শুরু হয় ভোরেই। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অব্যাহত থাকে একই ধারা।

গত কয়েকদিনের মতো আজও দেখা গেছে যাত্রীদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই নেই। ঠেলাঠেলি-গাদাগাদির যাত্রা। গন্তব্য আপন নীড়। প্রাণের মায়া তুচ্ছ করে মানুষ ছুটছেই। কারো কাঁধে ব্যাগ, কেউ বস্তা তুলেছে মাথায়। সঙ্গে পরিবার-পরিজন। হাঁটছে মাইলের পর মাইল। মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাট এলাকায় জড়ো হতে দেখা গেছে এসব যাত্রীদের।

  বুক আগলে বাংলাদেশকে বাঁচিয়ে দিল সুন্দরবন

লকডাউন ও সরকারি বিধিনিষেধের কারণে দূরপাল্লার যানবাহন, যাত্রীবাহী লঞ্চ এবং রেল বন্ধ থাকায় ঈদের আগে বাড়ি ফেরার নিয়ে গত একসপ্তাহ ধরে ঘাটে নানা ঘটনা ঘটে চলেছে।

গত বুধবার (১২ মে) মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া থেকে মাদারীপুরের বাংলাবাজারে যাওয়ার সময় ফেরিতে প্রচণ্ড ভিড়ে মারা গেছেন ৬ জন। এর পরও থামেনি জনস্রোত এই রুটে বর্তমানে ১৯টি ফেরি চলাচল করছে। তবে আজ রাস্তায় মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল ছাড়া চলছে না অন্য কোনো পরিবহন।