নিজস্ব সংবাদদাতা, নারায়ণগঞ্জঃ জেলার শীতলক্ষ্যা নদীর চর সৈয়দপুর কয়লাঘাট এলাকায় রবিবার সন্ধ্যায় অর্ধশত যাত্রী নিয়ে ডুবে যাওয়া এমভি সাবিত আল হাসান নামের যাত্রীবাহী লঞ্চ ডুবে যাওয়ার ১৮ ঘণ্টা পর সোমবার দুপুর বারোটায় উদ্ধার করা হয়েছে। লঞ্চটি বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় নদীর মাঝখান থেকে ক্রেনের সাহায্যে টেনে নদীরে তীরে নিয়ে আসে। এরপর লঞ্চের ভেতর থেকে নারী-পুরুষসহ একে একে ২১টি লাশ উদ্ধার করা হয়।

এর আগে রবিবার রাত ১১টা পর্যন্ত আরও ৫টি লাশসহ বিকেল পর্যন্ত ২৯টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৪ জন শিশু, ১৫ জন নারী ও ৮ জন পুরুষের লাশ রয়েছে। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শীতলক্ষ্যা নদীর কয়লাঘাট এলাকায় এসকে-৩ নামের একটি কার্গো জাহাজের ধাক্কায় লঞ্চটি ডুবে যায়। রবিবার রাত থেকে উদ্ধার কাজ শুরু করে রাত তিনটার দিকে বন্ধ করে দেয়া হয়। সোমবার সকাল আটটায় পুনরায় উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়। ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড, নৌ-বাহিনী ও নৌ-পুলিশ ও উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় উদ্ধার তৎপরতা চালায়। রবিবার সন্ধ্যা থেকে সোমবার বিকেল পর্যন্ত লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহতের স্বজনদের আহাজারিতে শীতলক্ষ্যার দু’পাড়েই পরিবেশ ভারি হয়ে ওঠে। লঞ্চ তোলার পর শীতলক্ষ্যার পশ্চিমপাড় কয়লাঘাটে লঞ্চের ভেতের আটকে থাকা ১৯টি লাশ উদ্ধার করে নিয়ে এলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। এ সময় নিহতের স্বজনরা লাশ শনাক্ত করতে ভিড় করেন। এ সময় শীতলক্ষ্যার উভয়পাশে হাজার হাজার উৎসুক জনতা ভিড় করে। লঞ্চডুবির ঘটনায় জেলা প্রশাসক ও বিআইডব্লিউটিএ পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। সোমবার বিকেল পর্যন্ত ঘাতক কার্গো জাহাজটি এখনও আটক করতে পারেনি নৌ পুলিশ।

ফায়ার সার্ভিস, প্রত্যক্ষদর্শী, নৌ পুলিশ জানায়, রবিবার সন্ধ্যা ৬টায় এমভি সাবিত আল হাসান নামে লঞ্চটি নারায়ণগঞ্জের লঞ্চ টার্মিনাল ঘাট থেকে ম্ন্সুীগঞ্জের দিকে যাচ্ছিল। যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে যাওয়ার পথে শীতলক্ষ্যা নদীতে এসকে-৩ নামে বড় আকৃতির একটি কার্গো জাহাজের ধাক্কায় লঞ্চটি আকস্মিকভাবে ডুবে যায়। ডুবে যাওয়া লঞ্চে প্রায় ৫০ যাত্রী ছিল বলে ধারণা হয়। এর মধ্যে ২০ যাত্রী তীরে সাঁতরে উঠতে সক্ষম হয়েছে। রাত থেকেই নদীর তীরে স্বজনরা আহাজারি করতে থাকে। সোমবার ভোর হওয়ার পর থেকে নদীর দুইপাড়ে নিহতের স্বজনরা জড়ো হতে থাকে। কেউ কেউ নিজেরাই ট্রলার ও নৌকাযোগে ডুবে যাওয়া লঞ্চের কাছে গিয়ে স্বজনদের খোঁজার চেষ্টা করেন। কেউ কেউ নদীর উভয়পাড়ে স্বজনদের অপেক্ষোয় বসে থাকেন। রবিবার রাত থেকেই ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড, নৌ-বাহিনী ও নৌ-পুলিশ ও উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় উদ্ধার কাজ শুরু করে। রাতে বন্ধ থাকার পর সোমবার সকাল আটটায় পুনরায় উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়। ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড, নৌ-বাহিনী ও নৌ-পুলিশ ও উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় উদ্ধার তৎপরতা চালায়। সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টায় বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় লঞ্চটিকে তীরে টেনে তোলেন। লঞ্চটি ক্রেনের সাহায্যে বন্দরের মদনগঞ্জ এলাকার তীরে নিয়ে যায়। পরে লঞ্চের ভেতর একে একে ১৯টি লাশ ট্রলারযোগে শীতলক্ষ্যা পশ্চিমপাড়ের কয়লাঘাটের তীরে এনে রাখা হয়। এ সময় নিহতের স্বজনরা লাশ শনাক্ত করে নিয়ে যান। এ সময় নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার নাহিদা বারিক স্বজনদের কাছে প্রক্রিয়া শেষে লাশ হস্তান্তর করেন।

নিহত কয়েকজনের পরিচয় ॥ লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রুনা আক্তার (২৪), সদর উপজেলার চৌহদ্দামোড় এলাকার সোলায়মান (৬০), বেবী বেগম (৬০), সুনিতা সাহা ( ৪০), পাখনা (৪৫), বিথি (১৮), আরিফা ( ১),পতিমা শর্মা (৫৩), শামসুদ্দিন (৯০), রেহেনা বেগম ( ৬৫), হাফিজুর রহমান (২৪), তাহমিনা বেগম (২০), নারায়ণ দাস (৬৫), পারবতী রানী দাস ( ৪৫), আজমীর (০২), শাহ আলম মৃধা (৫৫), মহারানী (৩৭), আনোয়ার হোসেন (৫৫), মাকসুদা বেগম (৩০), ছাউদা আক্তার লতা (১৮), আব্দুল খালেক (৭০), জবু (১৩), খাদিজা বেগম (৫৩), মোঃ নয়ন (২৮), সখিনা বেগম (৪৫), সাদিয়া (১১) ও মানসুরা (৭)

নিহতের স্বজনদের আহাজারি॥ শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার কাপাসপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল খালেক শেখ (৮৫) মুন্সীগঞ্জ সদরের মেয়র পারভিনের বাসায় যাচ্ছিলেন। আব্দুল খালেক শেখ ঢাকার ডেমরার সারুলিয়ায় বড় ছেলে পিন্টু মিয়ার বাসা থেকে ডুবে যাওয়া লঞ্চে করে মুন্সীগঞ্জ সদরে বসবাসরত মেয়ে পারভিনের বাসায় যাচ্ছিলেন। যাওয়ার পথেই লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত হন। সারুলিয়ায় বড় ছেলে পিন্টু, তার দুই ছেলে মনির হোসেন ও ইকবালের বাসায় বেড়ানো শেষ করেই মেয়ে পারভিনের বাসায় বেড়াতে যাওয়ার পথেই চিরদিনের জন্য এ পৃথিবী থেকে বিদায় নেন তিনি। উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার করলে ট্রলারযোগে সোমবার দুপুরে ১৯টি লাশ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ নগরীর কয়লাঘাটে নিয়ে এলে নিহতদের স্বজনদের কান্নার রোল পড়ে যায়। ওই সময় ১৯টি লাশের মধ্যে বৃদ্ধ আব্দুল খালেক শেখের লাশটি খুঁজে পান তার স্বজনরা। নিহত আব্দুল খালেক শেখের তিন ছেলে ও এক মেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এ সময় বড় ছেলে পিন্টু বিলাপ করে বলেন, আমার বৃদ্ধ বাবাকে এভাবে হারাতে হবে জানতাম না। এখন আমরা এতিম হয়ে গেলাম। এ সময় নিহত আব্দুল খালেক শেখের তিন ছেলে ও এক মেয়ের আহাজারিতে কয়লাঘাটের আকাশ-বাতাসা ভারি হয়ে ওঠে। পিন্টু মিয়া জানান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তায় দিয়েছেন। তার বাবার লাশটি গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরের নড়িয়ায় নিয়ে যাচ্ছেন। লকডাউনের কারণে পরিবার নিয়ে এমভি সাবিত আল হাসান নামের লঞ্চে করে মুন্সীগঞ্জের হোগলাকান্দির শ্বশুরবাড়িতে যাচ্ছিলেন আনোয়ার হোসেন (৪০)। তিনি ঢাকার শনির আখড়ায় ফুটপাথে পিঠা বিক্রি করতেন। করোনার কারণে লকডাউন দেয়ায় আনোয়ার হোসেন, তার স্ত্রী মাকসুদা আক্তার (৩৪) ও তাদের দেড় বছরের শিশুকন্যা আইরিনকে নিয়ে মুন্সীগঞ্জের হোগলাকান্দিতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ডুবে যাওয়া লঞ্চটিতে ওঠেন। আনোয়ার হোসেনের স্বজনরা রবিবার রাত থেকেই নারায়ণগঞ্জ শহরের কয়লাঘাট এলাকায় তাদের স্বামী-স্ত্রী ও তাদের সন্তানকে খোঁজ করতে থাকেন। বিআইডব্লিউএর উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয় সোমবার দুপুরে ডুবে যাওয়া লঞ্চটি ক্রেনের সাহায্যে নদী থেকে তীরে তুলে আনে। এ সময় ফায়ার সার্ভিস, নৌ-বাহিনী, কোস্টগার্ড ও নৌ-পুলিশ একে একে ১৯টি লাশ লঞ্চের ভেতর থেকে উদ্ধার করেন। এ সময় পিঠা বিক্রেতা আনোয়ার হোসেন ও স্ত্রী মাকসুদা আক্তারের লাশটি শনাক্ত করেন তার স্বজনরা। এখনও আনোয়ার হোসেনের দেড় বছরের শিশুকন্যা আইরিনকে খুঁজে পাননি তার স্বজনরা। এদিকে একই লঞ্চে মুন্সীগঞ্জের কাঁঠালিয়া যাচ্ছিলেন খায়রুল ইসলাম ও তার স্ত্রী তামান্না ও তাদের কন্যা লাবনী জিবু (১৩)কে নিয়ে। লঞ্চটি ডুবে যাওয়ার পর স্বামী খায়রুল ইসলাম ও স্ত্রী তামান্না লঞ্চ থেকে কোনমতে জীবন বাঁচাতে পারলেও মেয়ে লাবনী জিবুর লাশ উদ্ধার হয়। ডুবে যাওয়া লঞ্চের ভেতরেই আটকা পড়েছিল লাবনী জিবুর। সোমবার দুপুরে উদ্ধারকারী জাহাজ ডুবে যাওয়া লঞ্চ থেকে উদ্ধার হয় লাবনী জিবুর লাশটি। আর স্বামী-স্ত্রী দুইজনের নারায়ণগঞ্জের জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে তার স্বজনরা জানান। ডুবে যাওয়া এমভি সাবিত আল হাসান নামের লঞ্চেই গ্রিজার পদে চাকরি করতেন মোঃ নয়ন (২৮)। তিনি ডুবে যাওয়ার সময় লঞ্চ থেকে বের হতে পারেননি। দুপুরে লঞ্চের ভেতর থেকেই উদ্ধার হয় গ্রিজার নয়নের লাশ। নিহত নয়ন নারায়ণগঞ্জ বন্দরের সাবদী এলাকার নুর মিয়ার ছেলে। এক বছর আগে নয়ন মিয়ার এক সন্তান মারা গেছে। সন্তানের এক বছর পর নয়নও লঞ্চ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন।

  দেশে ১ম করোনায় প্রাণ গেল চিকিৎসকের

উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা॥ বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমোডর সাদেক জানান, ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার করে অভিযান সমাপ্ত করা হয়েছে। তিনি বলেন, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় লঞ্চটি ডুবে যাওয়ার পর পর বিআইডব্লিউটিএ’র কর্মকর্তারা ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কাজ শুরু“ করেন। সবার যৌথ সহযোগিতায় দুপুর সাড়ে ১২টায় ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার করে নদীর পূর্ব তীরে নিয়ে যাওয়া হয়।

জেলা প্রশাসকের ব্রিফিং॥ নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ সোমবার দুপুরে গণমাধ্যমে জানান, বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজ এমভি প্রত্যয়ের সাহায্যে ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার করা হয়। লঞ্চ দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত ২৯টি লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, লঞ্চটিতে ৪৬ যাত্রী ছিল। ২০ যাত্রী সাঁতরিয়ে নদীর তীরে উঠতে পেরেছেন। এ ঘটনায় দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা তাহেরা ববিকে প্রধান করে ৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আকাশ পথে র‌্যাবের হেলিকপ্টার টহল॥ সোমবার দুপুর থেকে র‌্যাবের একটি চৌকস দল হেলিকপ্টারযোগে উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেয়। র‌্যাব-১১এর অধিনায়ক (সিও) লে. কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম গণমাধ্যমকে জানান, শীলতলক্ষ্যা নদীতে লঞ্চ দুর্ঘটনার পর তীব্র স্রোতোর কারণে অনেক লাশ ভেসে যেতে পারে।

প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান বিলম্ব॥ নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে সাবিত আল হাসান নামে মুন্সীগঞ্জগামী একটি লঞ্চ অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে ডুবে যাওয়ার ঘটনায় প্রতিকূল আবহাওয়ায় ফায়ার সার্ভিসের উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে। এ ঘটনার পর রাত সাড়ে ৮টার দিকে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘাতক কার্গো জাহাজ এসকে-৩ এখনও আটক হয়নি॥ বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-চলাচল ও যাত্রী পরিবহন সংস্থার সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ বদিউজ্জামান বাদল বলেন, এমভি সাবিত আল হাসান নামের লঞ্চটিকে এসকে-৩ নামে বড় আকৃতির একটি কার্গো জাহাজ ধাক্কা দিলে ডুবে যায়। জানা যায়, সোমবার বিকেল পর্যন্ত সেই ঘাতক কার্গো জাহাজটি এখনও শনাক্তসহ আটক করতে পারেনি নৌ-পুলিশ।

লঞ্চডুবির ঘটনায় পৃথক দুটি তদন্ত কমিটি গঠন॥ নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে কার্গো জাহাজের ধাক্কায় এমভি সাবিত আল হাসান নামে মুন্সীগঞ্জগামী লঞ্চডুবির ঘটনায় পৃথক দু’টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রবিবার রাতে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহর নির্দেশে ৭ সদস্যবিশিষ্ট ও বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেকের নির্দেশে ৪ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের নির্দেশে দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খাদিজা তাহেরা ববিকে প্রধান করে ৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের উপ-পরিচালক মোবারক হোসেন জানান, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেকের নির্দেশে ৪ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক ( নৌ নিরাপত্তা) রফিকুল ইসলামকে।

আমাদেরবাণী/মৃধা