Shadow

শুধু জুন মাসেই আক্রান্ত ৫ হাজার ৬৬১ জন

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা; জেলায়  করোনা বিস্তারে জুন মাসে রেকর্ড সংখ্যক রোগী আক্রান্ত হয়েছেন। সংক্রমণ বেড়ে গত তিন মাসে মোট ৮ হাজার ৮৫২ জন রোগী আক্রান্ত হন। এর মধ্যে শুধু গত মাসে এ সংখ্যা দাঁড়ায় ৫ হাজার ৬৬১ জন। যা মোট সংক্রমণের তুলনায় ৬৩ শতাংশ।

  • চট্টগ্রাস সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণে এমনটি উঠে আসে। এতে দেখা যায়, গত ২ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত এক মাসে মোট আক্রান্ত হন ২ হাজার ৯০৭ জন। যা বর্তমান মোট আক্রান্তের ৩৩ শতাংশ। সর্বশেষ গত ১ জুন থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত এক মাসে করোনা আক্রান্ত হন ৫ হাজার ৬৬১ জন। যা বর্তমান মোট আক্রান্তের ৬৩ শতাংশ।

চট্টগ্রামে গত ২৫ মার্চ প্রথম করোনার পরীক্ষা শুরু হয়। ৩ এপ্রিল প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর থেকে সংক্রমণ বাড়লেও সুস্থতার হার তলানিতে। এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের তুলনায় ১২ শতাংশ রোগী সুস্থ হয়েছেন।

  • করোনা সংক্রমণ শুরুর পর থেকে হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাসেবা না পাওয়ার অভিযোগের পর চট্টগ্রামে গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি আইসোলেশন সেন্টার। সিটি করপোরেশনসহ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে গড়ে ওঠা এসব আইসোলেশন সেন্টারে নেই তেমন রোগীর চাপ।

আইসিইউ ও ভেন্টিলেটর সুবিধা না থাকায় রোগীরা আস্থা পাচ্ছেন না বলে মত বিশ্লেষকদের।

বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের ডেপুটি গভর্নর আমিনুল হক বাবু বলেন, চট্টগ্রামে যেভাবে রোগী বাড়ছে মানুষের মধ্যে সচেতনতা তেমন বাড়ছে না। নিজের সুরক্ষা নিজে নিশ্চিত করলেই সংক্রমণের পরিমাণ কমবে।

  • আইসোলেশন সেন্টারে আশানুরূপ রোগী ভর্তি না হওয়া কারণ হিসেবে তিনি বলেন, রোগীদের চিকিৎসার জন্য আইসোলেশন সেন্টার গড়ে উঠছে এটা ভালো উদ্যোগ। কিন্তু রোগী কম ভর্তি হওয়ার কারণ হতে পারে প্রচার প্রচারণার অভাব কিংবা আইসোলেশন সেন্টারের প্রতি রোগীদের আস্থা না থাকা। তবে আমি মনে করি, বেশি আইসোলেশন সেন্টার না করে, যারা এসব করতে চায় তাদের টাকা দিয়ে করোনা চিকিৎসায় উৎসর্গ করা হাসপাতালগুলোতে সেবার পরিধি বাড়ানো উচিত।
  • এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, চট্টগ্রামে করোনা সংক্রমণ রুখতে জনসচেতনতার বিকল্প নেই। তা ছাড়া প্রথম থেকে স্বাস্থ্যবিধি না মানার কারণে সংক্রমণ বেড়েছে চট্টগ্রামে। তাই এখনই সচেতন হতে হবে।
  জেলা সিভিল সার্জনকে ঘুষ দিতেই হবে

তিনি বলেন, রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতালের পাশাপাশি গড়ে উঠেছে বেশ কয়েকটি আইসোলেশন সেন্টার। যেখানে মিলছে মানসম্মত সেবা। সুতরাং বর্তমানে করোনার চিকিৎসায় বেশ সুযোগ তৈরি হয়েছে চট্টগ্রামে।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনের সর্বশেষ (০২ জুলাই ২০২০) তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৮  জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। ফলে ভাইরাসটিতে মোট ১৯২৬  জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৪  হাজার ১৯ জন। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ লাখ ৫৩ হাজার ২৭৭ । আজ নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৮  হাজার ৩৬২ টি যা গতদিনে ছিল ১৭ হাজার ৮৭৫ টি । ৭০টি পরীক্ষাগারে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮,৩৬২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ পর্যন্ত মোট ৮,০২,৬৯৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ্য হয়েছেন ৪৩৩৪ জন, এ পর্যন্ত সুস্থ্য হয়েছেন ৬৬ ৪৪২ জন। নতুন করে মারা যাওয়া ৩৮ জনের মধ্যে ৩২ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী।

আমাদের বাণী ডট কম/০২  জুলাই  ২০২০/পিপিএম

সৈয়দপুরের বিজ্ঞাপন

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •