Shadow

কম বেতন দিয়ে ভুয়া চিকিৎসক নিয়োগ দিতেন সাহেদ

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা;  রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান, গ্রেপ্তারকৃত মোহাম্মদ সাহেদের বিরুদ্ধে হাসপাতালে ভুয়া চিকিৎসক নিয়োগ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে। তাদেরকে দিয়ে তিনি অস্ত্রোপচারও করাতেন।

পরিণতিতে ২০১৭ সালে মৃত্যু হয় এক কিশোরীর। ঐ ঘটনায় দায়ের করা হয় হত্যা মামলা। তদন্তে প্রমাণ মিলে জেনেশুনেই ভুয়া চিকিৎসক নিয়োগ দিতেন সাহেদ। তবে নানা চাপে অভিযোগপত্র থেকে তার নাম বাদ দিতে হয়।

সাত বছর বয়সে পড়ে গিয়ে বাম হাত ভেঙে গিয়েছিল জান্নাতুল ফেরদৌস লিম্পার। চিকিৎসা করানোর পর তার হাত বেঁকে গিয়েছিল। বয়স একটু বাড়লে অপারেশন করানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা।

২০১৭ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি লিম্পাকে মিরপুরে সাহেদের রিজেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপারেশনের জন্য ৫৫ হাজার টাকার চুক্তি হয়, যার ২৫ হাজার টাকা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অগ্রিম নিয়েছিল।

বিকেল ৪টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেয়। দুই ঘণ্টা পর চিকিৎসকরা জানান জান্নাতের অবস্থা খারাপ। তাকে আইসিইইতে নিতে হবে। দ্রুত সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই মারা যায় লিম্পা।

লিম্পার বাবা জয়নাল শেখ বলেন, অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে অচেতন করার জন্য ইনজেকশন দেওয়ার পর তার মেয়ের আর জ্ঞান ফেরেনি। ডাক্তার পরিচয়দানকারী ফারুক ওই ইনজেকশন দিয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন,’আমি জানতে চাই কি হয়েছে আমার মেয়ের? তখন বলে আপনার মেয়েকে জরুরী আইসিইউতে নিতে হবে। আমাদের এখানে আইসিইউ নেই। মহাখালী নেয়ার পর ডাক্তার বললেন যে, এই মেয়ে তো অনেক আগে মারা গেছে।’

  ৫ বছরে বাংলাদেশের ঋণ উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে: আঙ্কটাড

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জেনে শুনে ভুয়া চিকিৎসককে নিয়োগ দেয়ায় সাহেদকেও ওই মামলার আসামী করা যেতো। এ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সভাপতি এ এম আমিনউদ্দিন বলেন,’ নিয়োগকর্তা যদি সনদ না দেখে ডাক্তার হিসেবে নিয়োগ দেন তবে পরবর্তিতে সেই ভুয়া চিকিৎসকের কারণে যদি কেউ ক্ষতিগ্রস্থ হন, যে নিয়োগকারী সেও কিন্তু রেসপন্সিবল।’

আমাদের বাণী ডট কম/১৭  জুলাই ২০২০/পিপিএম

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •