Shadow

ফিচার

করোনাকালে দেশে সুখ ফিরছে দাম্পত্য জীবনে, কমছে তালাক

করোনাকালে দেশে সুখ ফিরছে দাম্পত্য জীবনে, কমছে তালাক

ফিচার
ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা; করোনা মহামারি মানুষের জীবন-জীবিকার সকল হিসেব ওলট-পালট করে দিয়েছে। তার মাঝেও একরকম ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে দাম্পত্য জীবনে। পরিবারের স্বামী-স্ত্রী-সন্তান একসঙ্গে সময় কাটাতে হচ্ছে আগের চেয়ে বেশি। এতে ছোট-খাটো বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য বা ভুল বুঝাবুঝি কমে আসছে। সহনশীলতা ও আন্তরিকতা বেড়েছে। আর কমে এসেছে বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মহানগরীতে অন্তত এমন একটা ইতিবাচক চিত্রই ফুটে উঠেছে। সরকারি পরিসংখ্যানে দেখা যায়, রাজধানীতে ২০১৯ সাল পর্যন্ত গড়ে প্রতি ঘণ্টায় একটি তালাকের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু করোনাকালে পুরো এপ্রিল মাসজুড়ে রাজধানীতে একটি বিবাহ-বিচ্ছেদের ঘটনাও ঘটেনি। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে চলতি বছরের জানুয়ারিতে বিবাহ-বিচ্ছেদ হয়েছে ৬১৮টি। ফেব্রুয়ারিতে ৪৪১ এবং মার্চে ৪৪৫টি বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটলেও এপ্রিলে এই সংখ্যা শূন্য। মে মাসে মাত্র ৫৪টি এমন ঘটনা ঘটেছে। একইভাবে ঢাকা দক্
এক অদ্ভুত মাছ ট্রিগার ফিস

এক অদ্ভুত মাছ ট্রিগার ফিস

ফিচার
ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা; অবিশ্বাস্য অদ্ভুত অনেক কিছু দেখা যায় প্রকৃতিতে, যার রহস্য উন্মোচন হয় না অনেক সময়। এবার তেমনিই দেখা গেলো একেবারে মানুষের মতো দাঁত ও ঠোট সম্বলিত এক অদ্ভুত মাছ। জানা যায়, এই মাছকে ট্রিগার ফিস বলা হয়। সাধারণত এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের অনেক জলাশয়ে এই মাছ দেখা যায়। মাছটির শরীরে দুটি রং। আর দুটি রং কে ভাগ করেছে একটি রেখা। ঠোটের ওপর দিক দিয়ে শরীরের নিচের অংশ প্রযন্ত বিস্তৃত সেই লাল রেখা। তবে মাছটির মুখ লম্বা এবং চোখের সামনে ধূসর রং এর বর্ডার দেখতে বেল্টের মতো। আমাদের বাণী ডট কম/১১  জুলাই  ২০২০/পিপিএম 
দৌলতদিয়ায় এক পাঙ্গাশের দাম ৩৮ হাজার টাকা!

দৌলতদিয়ায় এক পাঙ্গাশের দাম ৩৮ হাজার টাকা!

ফিচার
শেখ মামুন, রাজবাড়ী জেলা সংবাদদাতা; জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২৮ কেজি ওজনের একটি পাঙাশ মাছ। আজ সোমবার (০৬ জুলাই ২০২০)  সকালে পাঙাশটি জেলে গুরু হলদারের কাছ থেকে ৩৭ হাজার ৮শ টাকায় কিনে নেন মাছ ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা। এ সময় নদীর পাড়ে মাছটি দেখতে অনেকেই ভিড় করেন। ভোরে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটের অদূরে পদ্মা নদীর অংশে মাছ ধরার সময় গুরু হলদারের জালে পাঙাশটি ধরা পড়ে। মাছটির ওজন ২৮ কেজি। দৌলতদিয়া ঘাটের একটি আড়তে মাছটি নিয়ে এলে মাছ ব্যবসায়ী মো. চান্দু মোল্লা ১ হাজার ৩৫০ টাকা কেজি দরে ৩৭ হাজার ৮শ টাকায় মাছটি কিনে নেন। মো. চান্দু মোল্লা জানান, ৩৭ হাজার ৮শ টাকায় মাছটি কিনেছেন তিনি। ১ হাজার ৪৫০ অথবা ১৫ শ টাকা কেজিতে মাছটি বিক্রি করবেন তিনি। এখন নদীতে পানি বেশি থাকায় প্রতিদিনই বড় বড় মাছ পাওয়া যাচ্ছে। আমাদের বাণী ডট কম/০৬  জুলাই  ২০২০/পিপিএম 
অর্থ আসলেই সুখ কিনতে পারে, বলছে গবেষণা

অর্থ আসলেই সুখ কিনতে পারে, বলছে গবেষণা

ফিচার
ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা;  পাঠ্যবইয়ে একটা ভাবসম্প্রসারণ রয়েছে- ‘অর্থই অনর্থের মূল। তবে সুখের সঙ্গে অর্থের যোগসূত্র রয়েছে। অর্থ দিয়েই সুখ কেনা যায় বলে সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে। ১৯৭২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ৪৪ হাজার ১৯৮ জন পূর্ণ-বয়স্কের বেশি মানুষের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল সোস্যাল সার্ভের (জিএসএস) চালানো গবেষণার ফল হিসেবে এমন মন্তব্য করা হয়েছে। যা গত সপ্তাহে ইমোশন সাময়িকীতে প্রকাশ হয়েছে। ওই লেখার শিরোনাম ছিল ‘কয়েক দশক ধরে চালিয়ে আসা এই গবেষণার ফল সুখের বিস্তৃত শ্রেণি বিভাজন।’ এতে উল্লেখ করা হয়, ৩০ বছর বা তার বেশি বয়সের মানুষের আয় বেড়েছে। আয় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পারস্পরিক সম্পর্ক সুখের পারদ বছরের পর বছর বেড়েছে। আফ্রিকান এবং আমেরিকানদের ক্ষেত্রে সুখ বিভাজনের এ গবেষণার ফলে ভিন্নতা দেখা গেছে। তবুও অর্থের সঙ্গে সুখের পারস্পরিক সম্পর্কের প্রতিফলন রয়েছে। গবেষণায় দেখা যায়, কলেজ শিক্
এসপি পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হাওরের মেয়ে ডলিকে নিয়ে গর্বিত কৃষক বাবা

এসপি পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হাওরের মেয়ে ডলিকে নিয়ে গর্বিত কৃষক বাবা

ফিচার
ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা;  ডলি রানী সরকার, হাওরের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বেড়ে ওঠা মেয়ে। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানার দক্ষিণ বংশিকুন্ডা গ্রামের কৃষক পরিবারে জন্ম তার। কৃষক বাবাকে কৃষিকাজে সহায়তার পাশাপাশি অনেক কষ্টে চালিয়ে গেছেন পড়াশোনা। জীবনের নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে বিসিএস ক্যাডার হয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) ৩৮তম ব্যাচের পুলিশ ক্যাডারে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) হিসেবে নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। ডলি রানীর কৃষক বাবা আজ মেয়েকে নিয়ে গর্বিত। ছোটবেলা থেকে পড়াশোনার প্রতি ভীষণ মনোযোগী ছিলেন ডলি রানী সরকার। শিক্ষাজীবনের শুরুতে ধর্মপাশা উপজেলার মধ্যনগর থানার ঘাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। মেধাবী হওয়ায় বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা শুরু থেকেই স্বপ্ন দেখতেন প্রাথমিকে বৃত্তি পাবেন ডলি। দরিদ্র পরিবারের সন্তান হওয়ায় বৃত্তি পাওয়ার সুবিধার জন্য গাইডবই কিনে দিয়েছিলেন ও
এমন কান্নায় কোনো সান্ত্বনা নেই!

এমন কান্নায় কোনো সান্ত্বনা নেই!

ফিচার
ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা;  মুন্সীগঞ্জ সদরের মিরকাদিম পৌরসভার রিকাবীবাজার পশ্চিমপাড়ার দিদার হোসেন (৪৫) ও বোন হাফসা আক্তার রুমা (৪০) অসুস্থ বোনজামাইকে দেখতে ঢাকায় যাচ্ছিলেন। গতকাল সোমবার সকালে সদরের মিরকাদিম নদীবন্দরের লঞ্চঘাট থেকে মর্নিংবার্ড নামে লঞ্চে চড়েন। বোনজামাইকে দেখে আবার ওইদিনই বাড়িতে ফিরে আসার কথা ছিল। ফিরেছেন ঠিকই, কিন্তু দেহে তাদের আর প্রাণ নেই। রাজধানীর শ্যামবাজারসংলগ্ন বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবিতে মৃত্যুর মিছিলে ছিলেন তারও দুজন। মাত্র সাত মাস আগে বিয়ে করেছিলেন দিদার। স্বামীর মৃত্যুর খবরে তাই ক্ষণে ক্ষণে মূর্ছা যাচ্ছেন নববধূ রেশমা বেগম। বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ভাই-বোনের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছলে স্বজনদের কান্না ও আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে বাতাস। পুরো বাড়িতে শোকের মাতম। চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি তাদের দেখতে আসা মানুষজনও। দোকানের মালামাল কিনতে রাজধানীতে যাচ্ছিলেন একই এলাকার হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী শিপল
যেভাবে ঘরে বসেই করোনামুক্ত হলো রোদশী’র পুরো পরিবার

যেভাবে ঘরে বসেই করোনামুক্ত হলো রোদশী’র পুরো পরিবার

ফিচার
ডেস্ক রিপোর্ট ঢাকা; করোনা নামক আতঙ্কে আজ সারাবিশ্ব আতঙ্কিত। অতি মাত্রায় সংক্রমিত এ রোগটি প্রতিরোধে এখনো তৈরি হয়নি কোনো ওষুধ বা ভ্যাকসিন। তাই আক্রান্ত ব্যক্তি সহজেই তার মনোবল হারিয়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েন। কিন্তু বিশ্ব জরিপ ওয়েব পেজ ওয়ার্ল্ডোমিটারস বলছে, প্রতি ১০ জন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ৯ জনই সুস্থ হয়ে যান। তাই আক্রান্ত হলেও ভয় পাওয়ার কিছু নেই, মানসিক শক্তি ও মানবিক সচেতনতার মাধ্যমে করোনা প্রতিরোধ করা সম্ভব। এই মনোবল ও সচেতনতার সাথে করোনাকে পরাজিত করেছে ঢাকায় বসবাসকারী এক পরিবার। তাদের পুরো পরিবারের করোনা আক্রান্ত ও সেরে ওঠার যাত্রা তারা প্রকাশ করেছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে 'আগামী স্কিল হাবের' সাথে। সেই পরিবারের সাহসী সদস্য ফায়রুজ মানসুবা রোদশী জানিয়েছেন কিভাবে ঘরোয়া চিকিৎসা ও সচেতনতা অবলম্বন করে কোভিড-১৯ থেকে সুস্থ হয়েছেন তিনি ও তার পরিবার। রোদশী
বয়স্ক ভাতার টাকা না দেয়ায় মাকে তাড়িয়ে দিল সন্তানরা

বয়স্ক ভাতার টাকা না দেয়ায় মাকে তাড়িয়ে দিল সন্তানরা

ফিচার
বরগুনা সংবাদদাতা; জেলায় বয়স্ক ভাতার টাকা দুই সন্তানকে না দেয়ায় মায়ের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে দুই সন্তানের বিরুদ্ধে। এমনকি টাকা না দেয়া পর্যন্ত তাকে ঘরে তুলবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন সন্তানরা। পরে সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে দীর্ঘক্ষণ রাস্তায় থাকা মাকে ঘরে তোলেন ছোট ছেলে। গতকাল শনিবার (১৩ জুন ২০২০) বিকেলে বরগুড়া শহরের কলেজ রোড এলাকায় বয়স্ক ভাতা ও জমানো দেড় লাখ টাকা দুই সন্তানকে না দেয়ায় ঘর থেকে বের করে দিয়েছেন বৃদ্ধ মা লাবণ্য রানীকে। স্থানীয়রা জানান, এক মাস করে দুই সন্তানের ঘরে বসবাস করেন বৃদ্ধ মা। তার জমানো টাকা নেয়ার জন্য প্রায়ই নির্যাতন চালান ছেলে উত্তম ও গৌতম। সর্বশেষ বড় সন্তানের বাসায় এক মাস পূর্ণ হলে ছোট ছেলের বাসায় গেলে টাকা না দিলে ঘরে তুলবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেয়া হয়। ফলে রাস্তায় আশ্রয় নেন ওই বৃদ্ধ মা। এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে সাংবাদিকদের চাপের মুখে ছোট ছেলে গৌতম
নতুন প্রাণ পেয়েছে সুন্দরবন!

নতুন প্রাণ পেয়েছে সুন্দরবন!

ফিচার
খুলনা সংবাদদাতা;  বিশ্বের জীববৈচিত্রের বৃহত্তম আধার ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন। বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে দেশের বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত পৃথিবির একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন। এ সংরক্ষিত বনটি বাংলাদেশের ফুঁসফুঁস ও অক্সিজেনের ভান্ডার। বর্তমানে সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশের আয়তন হচ্ছে ৬ লাখ ১ হাজার ৭শ হেক্টর। যা দেশের আয়তনের ৪ দশমিক ১৩ ভাগ। সংরক্ষিত এই বনের ৩টি অভয়ারণ্যের ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭শ হেক্টর বনাঞ্চলকে ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর জাতিসংঘের ইউনেস্কো ৭৯৮ তম ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইড ঘোষণা করে। সুন্দরবন ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সাইডের পাশাপাশি বিশ্বের বৃহত জলাভূমিও। ১৯৯২ সালে সমগ্র সুন্দরবনের এই জলভাগকে রামসার এলাকা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ। প্রশাসনিক সুবিধার কারণে সুন্দরবনকে পূব ও পশ্চিম দুই ভাগে ভাগ করা হয়। গোটা সুন্দরবনে রয়েছে ৪টি রেঞ্জের ১৮টি রাজস্ব অফিস, ৫৬টি টহল ফাঁড়িতে
বিজ্ঞান বিভাগে গোল্ডেন পেয়েও পড়ালেখা বন্ধের উপক্রম পাবনার সেতুর

বিজ্ঞান বিভাগে গোল্ডেন পেয়েও পড়ালেখা বন্ধের উপক্রম পাবনার সেতুর

ফিচার
আলাউদ্দিন হোসেন, পাবনা জেলা সংবাদদাতা;  নানা প্রতিকুলতার মধ্যেও এগিয়ে গেছে সামনে। তাই ক্ষুধার কষ্ট ,আর্থিক অনটন দারিদ্র্যের দৈন্য দমাতে পারেনি সেতুর। অভাব অনাটনের সংসারে একমাত্র ব্রত ছিল পড়াশুনা। পণ ছিল যে করেই হোক এসএসসিতে ভালো ফল করবেই । তাই সব বাধা পেরিয়ে পৌঁছে গেছে সাফল্যর শিখরে। তবে চরম দারিদ্র্যের কারণে নিজের লেখাপড়া ও ভবিষৎ নিয়ে শঙ্কিত সেতু আক্তার। শিক্ষা জীবনের শুরু থেকেই আর্থিক দুশ্চিন্তা ছিল সেতুর নিত্যসঙ্গী। মেধার জোরে সব বাধা জয় করে এবারের এসএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে সুজানগর উপজেলার মানিকহাট ইউনিয়নের খয়রান পশ্চিমপাড়া এলাকার হতদরিদ্র দিনমজুর আবুল মোল্লার মেয়ে সেতু আক্তার। সে মানিকহাট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এবারে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর আগে অষ্টম শ্রেণীর জেএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ এবং পঞ্চম শ্রেণীর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরী