Shadow

ফেসবুক কর্ণার

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আর অধিদপ্তরের ডিজির ‘ব্লেইমগেইম’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আর অধিদপ্তরের ডিজির ‘ব্লেইমগেইম’

ফেসবুক কর্ণার
সাওগাত আলী সাগর; রিজেন্ট সাহেদের গ্রেফতারের খবরের চেয়েও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি আর স্বাস্থ্যমন্ত্রীর মধ্যকার ‘ব্লেইমগেইম’টা আমাকে বেশি ভাবাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডিজি যখন কোনো অপরাধের দায়ভাগ সরাসরি তার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ মন্ত্রনালয়ের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়- তখন এটি ভাবনার চিন্তার উদ্রেগ করে বৈ কি। এটি কি নিতান্তই মন্ত্রনালয় আর অধিদপ্তরের মধ্যে সমন্বয়হীনতা? না কি তার চেয়ে বেশি কিছু? এটি আমলা আর রাজনীতিকদের মধ্যকার ঠান্ডা লড়াইয়ের বহি:প্রকাশ নয় তো! স্বাস্থ্যের ডিজির বক্তব্যের পর এ নিয়ে মিডিয়ায় সাক্ষাতকার দিয়ে কথা বলেছেন, রিজেন্টের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনের সময় সেখানে উপস্থিত থাকা দুই সচিব।মিডিয়াকে দেয়া দুই সচিবের বক্তব্যে যতোটা না তাদের উপস্থিতির ব্যাখ্যা আছে, তার চেয়েও বেশি আছে স্বাস্থ্যের ডিজিকে সমর্থন দেয়ার চেষ্টা। মন্ত্রীকে অভিযোগের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর চেষ্টাও তাদের বক্তব্যে আছে।
কলরেট বৃদ্ধির সমালোচনায় তারানা হালিম

কলরেট বৃদ্ধির সমালোচনায় তারানা হালিম

ফেসবুক কর্ণার
ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা;  মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সংকটের মধ্যেও প্রস্তাবিত ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে মোবাইলে কথা বলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারে খরচ বাড়ানোর সমালোচনা করেছেন সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী এবং সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট তারানা হালিম। গত শুক্রবার নিজের ভেরিফায়েড ফেইসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, করোনাকালীন এই সময়ে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ক্ষেত্রে মোবাইলে কথা বলা, ভিডিও কলে কথা বলা, অনলাইনে কাজ করা সবই পরোক্ষভাবে অত্যন্ত কার্যকর। পাশাপাশি মানসিকভাবে সুস্থ থাকার জন্য ইন্টারনেটের মাধ্যমে স্বজনদের সঙ্গে সংযুক্ত থাকাটাও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বর্তমানে টেলিকম সার্ভিসকে অপরিহার্য সেবা বলার পরও কেন ১০০ টাকা রিচার্জ করলে বাজেটে আগের ২১ টাকার বদলে এখন ২৫ টাকা কাটবে, তা বুঝলাম না। বর্তমান মন্ত্রী মোস্তফা জব্বারের প্রতি বিষয়টি বিবেচনার জন্য অনুরোধ রইলো।
প্রধানমন্ত্রীর নিকট প্যানেল প্রত্যাশীর আবেগঘন খোলা চিঠি

প্রধানমন্ত্রীর নিকট প্যানেল প্রত্যাশীর আবেগঘন খোলা চিঠি

ফেসবুক কর্ণার
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আসসালামু আলাইকুম, প্রথমেই আপনার সু- স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। সেই সাথে মুজিব শতবর্ষের শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। মা আপনি ১২ লক্ষ রোহিঙ্গার আশ্রয় দাতা, যার ফল স্বরুপ আপনি বিশ্বে আজ " মাদার অফ হিউমিনিটি" নামে খ্যাত। মা আপনি আজ সর্বোচ্চ প্রশংসিত কাতারে রয়েছেন সারা বিশ্বে। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাংঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর সুযোগ্য কন্যা। আপনি জাতির পিতার আদর্শে গড়া, তার সু শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া এক মহিয়সী নারী। আপনি মানবতার মা, আপনি দেশের সম্পদ,আপনার দিকে তাকিয়ে হাজারো অসহায় করুন বিষাদময় জীবন হাহাকারে পরিপূর্ণ হৃদয় গুমরে কেঁদে কেঁদে বেঁচে থাকার আশার আলোয় আজও তারা আলোকিত। মা, আজও কেউ আপনার কাছে কিছু চেয়ে পায় নি তা ইতিহাসের পাতায় লিখা নেই, আমি আমার অন্তর থেকে এটাই বিশ্বাস করি আপনি আমাদেরকেও ফিরিয়ে দিবেন না। আজ আমি দু হাত পেতে বেঁচে থাকার আকুতি নিয়ে
শিক্ষাঙ্গণ খুলে সর্বনাশ ডেকে আনবেন না

শিক্ষাঙ্গণ খুলে সর্বনাশ ডেকে আনবেন না

ফেসবুক কর্ণার
পীর হাবিবুর রহমানঃ শর্ত আর স্বাস্থ্যবিধি যতোই বলুন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্কুল, পাবলিক থেকে বেসরকারি, শিক্ষাঙ্গণে কোথাও কার্যকর করা যাবে না। যারা শিক্ষাঙ্গণ খুলে দেবার কথা বলছেন তারা সর্বনাশা কথা বলছেন। শিক্ষাঙ্গণে, ক্লাসে, হলে, ডাইনিংয়ে, ক্যান্টিনে, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা যেমন সম্ভব নয় তেমনি সম্ভব নয় সামাজিক দূরত্ব, স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ। শিক্ষাঙ্গণ মানেই ক্লাস নয়, গলাগলি আড্ডা, হৈ চৈ, গিজগিজ, কত কিছু। দয়া করে শিক্ষাঙ্গণ খুলে শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারী ও আমাদের সন্তান ছাত্রছাত্রীদের জীবনকে হুমকির মুখে ঠেলে দিবেন না। চরম দেউলিয়া চিকিৎসা ব্যবস্থা, অপর্যাপ্ত করোনা পরীক্ষার টেস্টের এই সময়ে জীবনকে জীবিকা ও অর্থনীতির লড়াইয়ে করোনার সাথে যুদ্ধ করে বাঁচার লড়াইয়ে ঠেলে দিলেও সন্তানদের দেয়া যায় না। অটোপ্রমোশন, অনলাইন ক্লাস, পরীক্ষা কিংবা সেশনজটের বিকল্প ঝুঁকি নেয়া যায়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জীবনের ঝুঁ
লকডাউন শিথিলে তারানা হালিমের ক্ষোভ

লকডাউন শিথিলে তারানা হালিমের ক্ষোভ

ফেসবুক কর্ণার
আমাদের বাণী ডেস্ক, ঢাকা; করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্তের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিনিয়ত বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। এমন অবস্থায় দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি অ্যাডভোকেট তারানা হালিম। গতকাল শুক্রবার (২২ মে ২০২০)  দিবাগত রাতে নিজের ফেরিভায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাসে তিনি এই ক্ষোভের কথা জানান। প্রশ্ন তোলেন, এত প্রণোদনার পরও লকডাউন শিথিল কেন? ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘আমরা এত উদাসীন কেন? মরলে মরুক- ধরনের উদাসীনতা। কিন্তু এক একটি জীবন মানে একটি সংখ্যা নয়। একটি পরিবার, কোনো পিতা-মাতার সন্তান। এভাবে মানুষ সংখ্যা হয়ে যাবে!! এত প্রণোদনার পরও লকডাউন শিথিল কেন? পোশাক কারখানায় সামাজিক দূরত্ব (social distancing) মানা হচ্ছে না কেন? মার্কেটে মানুষের ঢল কেন? ভাইরাসের গতি যখন ঊর্ধ্বমুখী থাকে তখন লকডাউন শিথিলের পরিণাম দেখছে আমেরিক
শিক্ষার্থীদের মেস ভাড়া মওকুফ করা হোক

শিক্ষার্থীদের মেস ভাড়া মওকুফ করা হোক

ফেসবুক কর্ণার
ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা;  মাগুরা জেলার সম্মানিত জেলা প্রসাশক, পুলিশ সুপার এবং সাংবাদিক মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষনণ করছি। বর্তমান করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেতী শেখ হাসিনা ঘোষনা দিয়েছেন যে করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকতে পারে। এমতাবস্থায় মেসে থাকা শিক্ষার্থীদের আরও পাঁচ মাস বাড়িতেই অবস্থান করতে হবে। কিন্তু মেস মালিকগন ভাড়া পরিশোধের জন্য চাপ সৃষ্টি করছে এবং আরও করবে...  মেসে থাকা ৮০% শিক্ষার্থী গ্রামের দারিদ্র্য পরিবার থেকে উঠে আসে। শহরে এসে টিউশনি বা বিভিন্ন দোকানে সাময়িক কাজ করে নিজের যাপিত ব্যায় নির্বাহ করে এবং সম্ভব হলে পরিবারকেও সহায়তা করে থাকে। দেশের এই অচল অবস্থায় তাঁদের টিউশনি বন্ধ এবং পরিবারের আয়ের উৎসও বন্ধ হয়েছে। সুতরাং এই অহেতুক মেস ভাড়া মওকুফ করা জরুরি। মহোদয়ের নিকট বিনিত অনুরোধ করছি বিষয়টি বিবেচনায় নিবেন
টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে ২৫০০ টাকা করোনা তহবিলে দিল স্কুল ছাত্রী

টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে ২৫০০ টাকা করোনা তহবিলে দিল স্কুল ছাত্রী

ফেসবুক কর্ণার
ডা: স্নেহা: শিখা অনির্বাণ! তুই কোন ডাক্তার নস; সবে সপ্তম শ্রেণীতে পড়িস। তবু তোকে ডাক্তার ডাকতে ইচ্ছে করছে। ডাক্তার যেমন ক্ষত সারায়; বেঁচে থাকার আশা জাগায়। তুই তেমনি আজ ক্ষত সারালি; আমার মনের ক্ষত। আমারই স্ব-প্রজাতির লজ্জার ক্ষত। পিতা যখন প্রিয়তম সন্তানকে ছুতে পারছে না; কবরে মাটি দেওয়ার স্বজন উধাও। ঠিক তখনও এ প্রজাতি চাল চুরি করে; নকল মাস্ক বানায়; সিন্ডিকেট করে চালের দাম বাড়ায়। এ গল্প লজ্জার। এ লজ্জা গভীর ক্ষত তৈরি করে। তবে এই ক্ষত সেরে ওঠে তোর মত আলো আসলে। লজ্জার দায় ঘোচে তোর মত স্নেহের পরশে। যে ক্ষুদ্রপ্রাণ কেঁদে ওঠে আর্ত-পীড়িতের কষ্টে; টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে যে হাত তুলে দেয় ক্ষুধার্তের মুখে খাবার, সে শিখা অনির্বাণ, সে প্রাণ অনিঃশেষ। প্রকৃতি তার আক্রোশ থামাবে একদিন, সন্তান তার পিতা কে ছোঁয়ার অধিকার ফিরে পাবে; বন্ধুর বুকে বন্ধু ঝাঁপিয়ে পড়বে নির্দ্বিধা
সোনারগাঁয়ে ১১ জন করোনা আক্রান্ত নিয়ে ইউএনও’র আবেগঘন স্ট্যাটাস

সোনারগাঁয়ে ১১ জন করোনা আক্রান্ত নিয়ে ইউএনও’র আবেগঘন স্ট্যাটাস

ফেসবুক কর্ণার
আলমগীর হোসেন প্লাবন, সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা; জেলার সোনারগাঁয়ের বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নের হাড়িয়া গ্রামের প্রথম করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ার পর সেখানে কয়েকটি বাড়ী লক ডাউন করে দেন সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সাইদুল ইসলাম। লক ডাউন অবস্থায় সেখানকার নিম্ন আয়ের অসহায় মানুষদের জন্য গোপনে প্রতিদিন খাবার সরবরাহ করতেন প্রশাসন। সেখানে তিনি প্রতিদিন তাদের জিজ্ঞেস করতেন তাদের অতি প্রয়োজনীয় কোন কিছু লাগবে কিনা। এ সংবাদ শুনে লকডাউনে থাকা এক চারতলা বাড়ির মালিক ও তার স্ত্রী প্রশাসনের লোককে বিশাল খাবারের তালিকা ধরিয়ে দিয়ে তার পালিত গরুর ঘাস কেটে দেয়ার জন্য নির্দেশ দেন। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় কাজ করতে গিয়ে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম তার অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছে সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসনের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ এ। ওনার ফেসবুকের লেখাটি সোনারগাঁ নিউজের পাঠকদের জন্য হুবহু তা তু
প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১জন প্রাথমিক শিক্ষকের আবেগঘন খোলা চিঠি

প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১জন প্রাথমিক শিক্ষকের আবেগঘন খোলা চিঠি

ফেসবুক কর্ণার
ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা;  করোনা সংক্রমণ মোকাবেলায় বিশেষ প্রণোদনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কিন্তু সে প্রণোদনায় শিক্ষকদের জন্য কোন বরাদ্দ আছে কিনা তা উল্লেখ করা হয়নি। তাই বিশেষ প্রণোদনা চেয়েছেন সরকারিকরণের প্রক্রিয়া থেকে বাদপড়া চার হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষক। এর আগেও প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে বিশেষ আর্থিক প্রণোদনা দেয়ার আবেদন জানিয়েছিলেন শিক্ষকরা। বাংলাদেশ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি খোলা চিঠির মাধ্যমে মঙ্গলবার ফের আর্থিক প্রণোদনার আবেদন জানানো হয়। সংগঠনটির সভাপতি মো. মামুনুর রশিদ খোকন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হে মমতাময়ী প্রধানমন্ত্রী, দেশে করোনা আক্রন্তের সংখ্যা দিন দিন দীর্ঘ হচ্ছে সেই সাথে মৃত্যুর মিছিল। সরকারের পক্ষ থেকে নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও এর আওতায় নেই জাতীয়করণ থেকে বাদপড়
 এমপিও বঞ্চিত শিক্ষিকা এমপিও পেলে ১৪ মাসের বেতন দেবেন করোনা তহবিলে 

 এমপিও বঞ্চিত শিক্ষিকা এমপিও পেলে ১৪ মাসের বেতন দেবেন করোনা তহবিলে 

ফেসবুক কর্ণার
মোঃ মজিবর রহমান শেখ ঠাকুরগাঁও জেলা সংবাদদাতা;  ঠাকুরগাঁও জেলায় জাতীয় মেধা তালিকায় নিয়োগ পেয়েও এমপিও বঞ্চিত স্কুল শিক্ষিকা এমপিও পেলে প্রধানমন্ত্রীর করোনা তহবিলে ১৪ মাসের বেতন দিতে চান। এনিয়ে তিনি এক  খোলা চিঠির মাধ্যমে ইচ্ছা পোষণ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তিনি একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করেন। ঐ শিক্ষিকার নাম লিপা রানী সরকার। তিনি ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের হিন্দু ধর্মের সহকারী শিক্ষিকা। প্রধানমন্ত্রীর করোনা তহবিলে ১৪ মাসের ত্রাণ সহযোগিতার জন্য ফেসবুকে দেওয়া খোলা চিঠিটি   হুবহু তুলে ধরা হলো:- বরাবর, জননেত্রী শেখ হাসিনা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। বিষয়: মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর করোনা তহবিলে বকেয়া ১৪ (চৌদ্দ) মাসের বেতন প্রদান প্রসঙ্গে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যথাযথ সম্মানপ্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও ম