Shadow

ট্যাগ: হরিপুর উপজেলা

১৪ দিনের লকডাউনে হরিপুর

১৪ দিনের লকডাউনে হরিপুর

সারাদেশ
মোঃ মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও জেলা সংবাদদাতা; জেলায় করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে জেলার হরিপুর উপজেলায় লকডাউন (অবরুদ্ধ) ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সংক্রামিত এলাকা থেকে দলে দলে মানুষ এলাকায় ফিরে আসায় করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা থেকে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার (১০ এপ্রিল ২০২০)  দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বলবৎ থাকবে। হরিপুর উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হরিপুর উপজেলার অসংখ্য মানুষ ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে কাজ করেন। সম্প্রতি করোনাভাইরাসের বিস্তার ঘটায় এসব এলাকা লকডাউন করে প্রশাসন। এরপর গোপনে এসব এলাকা থেকে মানুষ হরিপুর ফিরতে শুরু করেন। তাঁদের মাধ্যমে উপজেলায় করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। এ আশঙ্কা থেকে বৃহস্পতিবার বিকেলে হরিপুর উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি এক জরুরি সভা আহ্বান করে। সভায় করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুরো হরিপুর উপজেলা ১৪
মোবাইলে ডেকে এনে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণ করল শিক্ষক

মোবাইলে ডেকে এনে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণ করল শিক্ষক

সারাদেশ
মজিবর রহমান শেখ, ঠাকুরগাঁও জেলা সংবাদদাতা;  জেলার হরিপুর উপজেলায় স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে প্রভাত চন্দ্র নামে এক প্রাইভেট শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ছাত্রী হরিপুর উপজেলার বাসিন্দা ও এসএসসি পরীক্ষার্থী। আজ সোমবার (১৬ মার্চ ২০২০) দুপুরে ওই ঘটনায় ধর্ষকের ফাঁসির দাবিতে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এলাকাবাসী, শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে। হরিপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াউল হাসান মুকুল বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে বলেন, খুব শীঘ্রই দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। পরবর্তীতে হরিপুর উপজেলা নির্বাহি অফিসার  আব্দুল করিম ও হরিপুর থানার ওসি আমিরুজ্জান বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধনে এসে উত্তেজিত এলাকাবাসী, শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকগণকে আশ্বস্ত করে বলেন, এই ধর্ষকের মত জঘন্য অপরাধের সঙ্গে যারা জড়িত আছে তাদের সবাইকে অতি শীঘ্রই গ্রেপ্তার করা হব
হরিপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে এমপি পুত্র

হরিপুরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের পাশে এমপি পুত্র

সারাদেশ
ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার ৫ নং হরিপুর সদর ইউনিয়ন তোররা ইসলামপুর গ্রামে অগ্নিকার্ন্ডে সর্বহারা পরিবারগুলোর মাঝে ১১ডিসেম্বর গত বুধবার সন্ধ্যায় নগদ অর্থ, কম্বল, চাল, ডাল, তেল সহ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব মোঃ দবিরুল ইসলাম এমপির নির্দেশনায় তার বড় ছেলে ঠাকুরগাঁও জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম সুজন ৷ মাজহারুল ইসলাম সুজন বলেন, হরিপুর উপজেলার মানুষের যে কোন সমস্যা হলেই আমার বাবা ঢাকা বা বালিয়াঙ্গী উপজেলায় যেখানেই থাক না কেনো সেখান থেকে প্রতি ঘন্টায় খবর নেন এবং সহযোগীতা করার মতো প্রয়োজনীয় জিনিস ও নগদ আর্থিক সাহায্য নিয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাড়াতে বলেন। ঠাকুরগাঁও-২ আসনের জনগনের পাশে আমার বাবা ও আমি সব সময় ছিলাম আছি থাকবো। কিছু লোক আছে যারা দেশরত্ন মাননীয় প্রধাণ মন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের বিপক্ষে কাজ করতে চাই, উন্নয়নের যাত্রা পথে বাধা হয়ে দাড়াতে
হরিপুরে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি

হরিপুরে অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি

সারাদেশ
আ’লীগের দু’গ্রুপের দ্বন্দ্বের জেরে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলায় রাজনৈতিক দলের সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ করে অনিদিষ্টকালের জন্য ১১৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। ৬ নভেম্বর বুধবার সন্ধ্যা থেকে এ আদেশ জারি করা হয়।পুলিশ জানান, দীর্ঘ দিন ধরে হরিপুর উপজেলায় আ’লীগের কমিটিকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগেই আছে। ৬ নভেম্বর বুধবার হরিপুর উপজেলার বকুয়া ইউনিয়ন আ’লীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পরে উক্ত সভাকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের লোকজন উপজেলার বিভিন্নস্থানে মারমুখি অবস্থান নেয়। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৯ নভেম্বর পর্যন্ত শুধুমাত্র বকুয়া ইউনিয়নের চাপদা বাজার এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। কিন্তু তার পরেও দু’গ্রুপের নেতাকর্মীরা উপজেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষের রুপ নেয় বলে আশংকা করা হয়। পরবর্তিতে প্রশাসন সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বুধবার সন্ধ্যা থেকে হরিপুর উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়
হরিপুরে খাল খননের ফলে তলিয়ে যাচ্ছে ব্রীজ, বিচ্ছিন্ন হতে পারে ১০টি গ্রাম

হরিপুরে খাল খননের ফলে তলিয়ে যাচ্ছে ব্রীজ, বিচ্ছিন্ন হতে পারে ১০টি গ্রাম

সারাদেশ
ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার  ২নং আমগাঁও ও ৩নং বকুয়া  ইউনিয়নের যমুনার খাল খননের ফলে আমগাঁও  ইউনিয়ন ভুক্ত  প্রায় ৩২ বছর আগের নির্মিান হওয়া শুকানি ব্রীজের তলার মাটি কেটে গিয়ে উল্টে যাওয়ার উপক্রম হয়ে গেছে। খাল খননের দ্বায়িত্বেে নিয়োজিত মতিউর রহমান মতির ম্যানেজার মোঃ দেলোয়ার হোসেন কয়েক জন লোক নিয়ে বালু ভর্তি বস্তা দিয়ে এই পানি প্রবাহ  রোধ করার চেষ্টা করলেও ব্রীজের তলা দিয়ে প্রবাহমান   পানি বন্ধ করতে পারছেন না। আশংকা করা হচ্ছে যে, আর একটু ভারি বর্ষণ হলে ব্রীজের তলা দিয়ে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়ে   ব্রীজ দেবে গিয়ে উল্টে যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা আছে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ আহসান হাবীবের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন ব্রীজের তলার মাটি কেটে নিলে কিভাবে ব্রীজ টিকে থাকে। ব্রীজ টিকিয়ে রাখতে মাটি কাটার বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলীর তরফ থেকে কোন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি আমা