উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা সংবাদদাতা;  জেলার কালিয়া স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ২০ বাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে।  অপরদিকে অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

আহতদেরকে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।  গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কলাবাড়িয়া গ্রামে এ সংঘর্ষ ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে গ্রামটিতে কলাবাড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান মাহামুদুল হাসান কায়েস সমর্থিত মুরসালিন মোল্যা গ্রুপ ও উপজেলার নড়াগাতি থানা কৃষক লীগের সভাপতি হাসনাত মোল্যা গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ওইদিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে মুরসালিন গ্রুপের লোকজন হাসনাতের চাচাতো ভাই বিলায়েত মোল্যা (৪০) ও তকির মোল্যাকে (৩৫) পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে। তখন উভয় গ্রুপের মধ্যে সং*ঘ*র্ষ বেঁ*ধে যায়। প্রায় দুই ঘন্টা ব্যাপী দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে মহিলাসহ উভয় পক্ষের উজির শেখ (৪০), মোসা শেখ (৪২), নাজির তালুকদার (৪৫), রিলি বেগম (৩৫), রুনা বেগম (২৮), মনিকা বেগম (৩২), মিনারা বেগম (৩১), লাকী বেগম (২২), সেলিনা বেগম (৩৮) ও স্বপন মোল্যাসহ (৩২) অন্তত ২০ জন আহ*ত হন।

মারাত্মক আহতদেরকে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপ*ক্ষের লোকজন হা*মলা চালিয়ে কওছার মোল্যা, আফছার মোল্যা, রইচ মোল্যা, ফারুক মল্লিক, জাহানুর মল্লিক, শহীদুল মল্লিক, পিটু মল্লিক, বাবু মল্লিক, মিজান মল্লিক, মুলু মল্লিক, হোসেন মল্লিক, কামরুল মল্লিক, আকবর মল্লিক, সোহাগ মোল্যা, সবুজ মোল্যা, গাউচ মোল্যা, ঝুনু মোল্যা, রিহাদুল মোল্যা, ইবাদ আলী, কায়েম আলী ও রমিজ মোল্যার বাড়িতে ব্যাপক ভাং*চু*র চালিয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্থরা অভিযোগ করেছেন।

এ বিষয় নড়াগাতি থানার ওসি রোকসানা খাতুন বলেন, ‘কোন প*ক্ষই থানায় অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সংঘর্ষ ও ভাংচুরের সঙ্গে জড়িতদের ধরতে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে।

আমাদের বাণী ডট কম/২৪ মে ২০২০/ডিডিএ 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।