নাব্যতা সংকটে কুষ্টিয়ার গড়াই নদী এথন ধু-ধু বালুচরে পরিণত হয়েছে। প্রমত্তা পদ্মার শাখা নদী গড়াইয়ের পানিপ্রবাহ যথাযথ রাখতে কর্তৃপক্ষ এরই মাঝে একাধিকবার ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে পানি প্রবাহ সচল রাখার চেষ্টা করছে।
পদ্মা অববাহিকা কুষ্টিয়া যশোর ঝিনাইদহ এবং চুয়াডাঙ্গা-মেহেরপুর অঞ্চলটি মিঠা পানির প্রবাহ যথাযথ বলবৎ রাখতে এছাড়াও সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য জলজ প্রাণীদের জীবিত অবস্থায় রাখার প্রকল্প হিসাবে গড়াই নদীতে মিঠা পানির প্রবাহ এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ছিল। সবাই বাড়িতে মাঘের 15 দিন পার না হতেই এই নাব্যতা সংকট সৃষ্টি হয়েছে গড়াই নদীতে। মমতা গড়াই নদী এখন শুধু একটি চ্যানেল দিয়ে অল্প কিছু পানিপ্রবাহ হলেও দু’ধারে ধুধু বালুচর কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে গড়াই পাড়ের বাসিন্দাদের কাছে।
যেখানে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় এপার-ওপার পার হতে হিমশিম খেতে হতো, সেখানে নদী জল প্রবাহ না থাকায় দুপারের মানুষের সেতুবন্ধনে চার্ণক আর পাশাপাশি বেঁধে এভাবে চলার দিয়ে পার হচ্ছে স্থানীয় ওসমানপুর খোকসার এলাকাবাসী।
উপজেলা শহরের সাথে ওসমানপুর ইউনিয়ন বাসীর একমাত্র যোগাযোগের এই মাধ্যমটি একটি ব্রিজের দাবিতে দীর্ঘদিন যাবৎ শসার রয়েছে। গড়াই নদীর নাব্যতা সংকটে বাঁশের চরাট এর উপর দিয়েই এভাবেই মানুষ যাতায়াত করছে প্রতিটা মুহূর্ত। অনেকটা হাস্যজ্জ্বল ভাবে বলতেই হয় “গড়াই তোমার কি বড়াই, এখন হইছে তেলে এক্ষান কড়ায়”।
