আবু তাহের, নরসিংদী জেলা সংবাদদাতা; জেলার পলাশ উপজেলায় হতদরিদ্রদের মাঝে ওএমএস এর ১০ টাকা কেজি চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, তাদের চালের কার্ড দেওয়া হলেও কার্ড দেওয়ার এক সপ্তাহ আগেই একটি মহল ১০ কেজি করে চাল তুলে নেয়।এমন অভিযোগ করেন, পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ২নং ওয়ার্ডের ভাগ্যের পাড়া গ্রামের একাধিক ভুক্তভোগি পরিবার।
জানা যায়, করোনা ভাইরাস সংকট মুহুর্তে সারা দেশেই সরকার কর্তৃক হত দরিদ্রদের জন্য ওএমএস এর ১০ টাকা কেজি চাল বিতরণ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৩ এপ্রিল থেকে পলাশ উপজেলায় প্রথম ধাপে দরিদ্রদের মাঝে ওএমএস এর চাল বিতরণ কার্যক্রম চালু করা হয়। প্রথম ধাপের চাল বিতরণে দেখা দেয় অনিয়মের চিত্র।
পৌর এলাকার ভাগ্যের পাড়া গ্রামের ছালাম মিয়া, রাশিদা বেগম, সূর্য্যবানসহ একাধিক ভুক্তভোগি জানায়, গত ২২ এপ্রিল তাদের নামে ওএমএস এর কার্ড ইস্যু করা হলেও কার্ড বিতরণ করা হয় ৩০ এপ্রিল। বিতরণের আগে গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় চাল বিতরণে তাদের কার্ডে ১০ কেজি করে চাল উত্তোলনের বিষয় লেখা হয়। এই চাল তারা পায়নি। ভাগ্যের পাড়া গ্রামের জাহানারা বেগম বলেন, ৩০ এপ্রিল কার্ড নিয়ে চাউল আনতে গেলে ডিলার আমার কার্ড দেখে জানায় আমি নাকি ২৩ এপ্রিল ১০ কেজি চাল নিয়ে গেছি। আমাকে কার্ডই দেয়া হয় ৩০ এপ্রিল। পরে তারা আমাকে চাল না দিয়ে ফিরিয়ে দেয়।
বিষয়টি ঘোড়াশাল পৌরসভার মেয়র মহদোয়দকে অবগত করা হয়েছে। ঘোড়াশাল পৌর মেয়র আলহাজ্ব শরীফুল হক জানান, এ বিষয়ে কয়েকজন ভুক্তভোগী আমাকে জানিয়েছে। বিষয়টি দ্রুত সমাধান করার জন্য ডিলারকে জানানো হয়েছে।
এব্যাপারে ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ১,২,৩ ওয়ার্ডের ওএমএস এর ডিলার মোঃ আওলাদ হোসেন শেখর জানান, ভাগ্যের পাড়া গ্রামের ১০ জনের এই সমস্যা দেখা দিয়েছে, তাদের পরবর্তীতে ২০ কেজি করে চাল দিয়ে দেওয়া হবে।
এদিকে চাল বিতরণের অনিয়মের বিষয়ে পলাশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অ.দা.) ফারহানা আলী জানান, এখনো কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি, এব্যাপারে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
