হুমায়ুন কবির,  কুষ্টিয়া জেলা সংবাদদাতা; প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া দুর্যোগ সহনীয় ঘর পে প্রতিবন্ধী চায়না স্বামীর সোহাগিনী হয়ে উঠেছে। জন্ম থেকে প্রতিবন্ধী চায়না খাতুন (২৮) অবহেলা অবজ্ঞা ও দুঃখ-দুর্দশার মধ্য দিয়ে বাবার ফ্যামিলিতে বড় হওয়া। গরিব হতদরিদ্র বাবার শেষপর্যন্ত সতীনের সাথে ঘর করতে ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তার বিয়ে হয় একই গ্রামে কুষ্টিয়ার খোকসা হেলালপুরে। অভাব-অনটন আর প্রতিবন্ধীকতা চাইনা খাতুনের জীবনে নেমে আসে দুর্বিষহ অত্যাচার।

অবশেষে খোকসা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রীর টিআর কাবিখা কর্মসূচির আওতায় দুর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মাণ ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রায় ২ লাখ সাড়ে ৫৮ হাজার টাকা ব্যয়ে পাকা ঘর করে দেয়া হয় চায়না খাতুন কে। এতে যেন প্রতিবন্ধী চায়না খাতুনের ভাগ্যের পরিবর্তন হয় হয়ে ওঠে স্বামীর সোহাগিনী। পাড়া-প্রতিবেশী এলাকাবাসীর মুখে মুখে প্রতিবন্ধী চায়না যেন এখন সকলের কাছে আদরের পাত্র।

এরকম অনেক গ্রামের হাজারো চায়নার মতন প্রতিবন্ধী নারীরা নির্যাতিত হচ্ছে স্বামীর গৃহে। একটি ঘরের জন্য চায়না পেল স্বামীর কাছে তার সোহাগ আদর। আর সতীনের সংসার যেন আনন্দে ভরে উঠলো।

অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে দু চোখে অশ্রু ঝরায় চায়না খাতুন বলেই ফেলল প্রধানমন্ত্রী ঘর দিয়েছে বলেই আজকে আমি আনন্দিত আমার দুমুঠো ভাত জোটে স্বামী এবং সতীনের সংসারে। দোয়া করি জননেত্রী শেখ হাসিনার জন্য তিনি যেন আমাদের মাঝে চিরকাল বেঁচে থাক।

২০১৮-১৯ অর্থবছরে খোকসা উপজেলায় এরকম দুর্যোগ সহনীয় ঘর উপজেলায় ২৮ টি নির্মাণ করা হয়েছে বিভিন্ন ইউনিয়নের অসহায় মানুষদের জন্য। ২০১৯-২০ অর্থবছর ও আরও ৩২ টি দুর্যোগ সহনীয় ঘর নির্মাণ করা হচ্ছে যা প্রায় শেষ পর্যায়ে। বর্তমান সরকারের যুগান্তকারী পদক্ষেপ আরো বেগবান হবে কোনো মানুষই থাকবেনা গৃহহীন একথায় মত প্রকাশ করলেন স্থানীয় অসহায় দরিদ্র ভুক্তভোগী এ ঘর পাওয়া এলাকাবাসী।

আমাদের বাণী ডট কম/০৩ মার্চ ২০২০/টিএ 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।