ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা; তিন বছর পর পর প্রাথমিক শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রাপ্তি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। অধিদপ্তর মনে করে, সঠিকভাবে চাহিদা না পাঠানো এবং বরাদ্দ ঘাটতিজনিত কারণে শিক্ষকদের শান্তি বিনোদন ভাতা পেতে ৪-৫ বছর লেগে যায়। তাই শান্তি বিনোদন ভাতার চাহিদা সঠিকভাবে নিরূপণ করে ১২ মে’র মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের।
গতকাল মঙ্গলবার (০৫ মে ২০২০) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে অধিদপ্তরের পরিচালক মো. হাসান সারওয়ার স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত জারি করা আদেশ সব জেলা-উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর এবং পিটিআই সুপারদের পাঠানো হয়েছে।
আদেশে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরাধীন মাঠ পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নীতিমালা অনুযায়ী তিন বছর পর পর শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রাপ্ত হবেন। কিন্তু বরাদ্দ স্বল্পতার কারণে এবং সঠিকভাবে চাহিদা পূরণ না করায় বরাদ্দ ঘাটতির জন্য অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারী শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হন। শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পেতে ৪-৫ বছর লেগে যায়। তাই, সঠিক সময়ে শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রাপ্তির জন্য সঠিকভাবে চাহিদা নিরূপণ করে বিভাগীয় উপপরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর এবং পিটিআই সুপার দের ১২ মের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানোর জন্য বলা হলো।
জানা গেছে, শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রাপ্তি নিয়ে প্রাথমিক শিক্ষকদের বিড়ম্বনার শেষ নেই । সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা সরকারি বিধি মোতাবেক প্রতি তিন বছর পরপর শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পাওয়ার কথা। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ভ্যাকেশনাল কর্মচারী হওয়ায় প্রজাতন্ত্রের অন্যান্য চাকরিজীবীদের মতো বছরের যে কোন সময় এ ছুটি ভোগ করতে পারেন না। নন ভ্যাকেশনাল কর্মচারী না হওয়ায় ১৫ দিনের শ্রান্তি বিনোদন ছুটির অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করতে হয় রমজানের ছুটি পর্যন্ত। ফলে দেখা যায়, ৩ বছর পূর্ণ হলেও অনেক সময় রমজানের ছুটি না থাকায় এক বছরের ছুটি পরবর্তী বছরে গিয়ে মঞ্জুর হয়। এক্ষেত্রে ৩ বছর পর যে ছুটিটা পাওয়ার কথা প্রাথমিক শিক্ষকরা সেটা ৪ বছর পর প্রাপ্য হয়।
আমাদের বাণী ডট কম/ ০৬ মে ২০২০/ডিএ
