সুজন ভট্টাচার্য্য, ব্যুরো প্রধান চট্টগ্রাম; প্রত্যন্ত পাহাড়ি গ্রামাঞ্চলে পিছিয়ে পড়া আদিবাসী গ্রাম গুলোতে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনা বৃদ্ধির জন্য নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন থানচি উপজেলা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাংসার ম্রো।
আতংকিত না হয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ইউনিয়নের প্রত্যক পাড়া কারবারি (গ্রাম প্রধান) দের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখে দিচ্ছেন প্রয়োজনীয় দিক নির্দশনা।
এই বিষয়ে তিনি বলেন,সমতলে কাজ করার চাইতে দূর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে কাজ করাটা অনেক বেশী চ্যালেন্জিং।কারণ প্রত্যন্ত পাহাড়ি জনপদের বেশীরভাগ বয়োবৃদ্ধ মানুষ নিরক্ষর ও সহজ সরল প্রকৃতির।তাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যে খুব সাবধানে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে এগোতে হচ্ছে। তাদের আত্মসম্মানের দিক টি বিবেচনায় রেখে সমস্ত পদক্ষেপ গুলো বেশ সতর্কতার সাথে করে যাচ্ছি।তাদের মধ্যে যাতে কোন ভাবে গুজব প্রচার করার কেউ সুযোগ না পায় সেইজন্য সার্বক্ষণিক মনিটরিং এর ব্যাবস্হা করেছি।এছাড়াও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুরের নির্দেশনা অনুযায়ী নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য প্রথম দফায় বিতরণ করা হয়েছে।দ্বিতীয় ধাপে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচিরর জন্য সম্মিলিত ভাবে প্রকৃত গরীব ও অসহায় মানুষের তালিকা করা শেষ পর্যায়ে।
ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাংসার ম্রো আরো বলেন, রাতদিন ২৪ ঘন্টা আমার মোবাইল ফোন জনসাধারণের জন্য উম্মুক্ত। কেউ কোনো ধরণের সমস্যার মুখোমুখি হলে সরাসরি আমার সাথে যোগাযোগ করুন।আমি আমার সাধ্যমত সাহায্য সহযোগীতা করতে প্রস্তুত। যেখানে মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই সেসব এলাকার মানুষের সমস্যা হলে যে কেউ এসে আমাকে খবর দিন,আমি নিজে সেখানে ছুঁটে যাবো।
এলাকাবাসী কে অপ্রয়োজনে বাসা থেকে বের না হবার পরামর্শ ও দিয়ে তিনি বলেন সচেতন থাকুন, খাদ্য এবং চিকিৎসায় আমি জেগে আছি, আপনাদের ঠিকানায় খাদ্য পৌঁছে যাবে।
আমাদের বাণী ডট কম/৩১ মার্চ ২০২০/পিএ
