শিক্ষা উপমন্ত্রী  মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, সরকারি কোষাগারে সবাই ঠিকমত রাজস্ব দিলে মান্থলি পেমেন্ট অর্ডারের ভিত্তিতে সরকার শিক্ষকদের সম্মানিত করার যে কার্যক্রম পরিচালনা করছে তা আরো বিস্তৃত করা সম্ভব হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে সরকারের রাজস্ব আহরণে সবার কন্ট্রিবিউশন থাকতে হবে। গত রোববার সকালে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় অডিটরিয়ামে ‘আয়কর আহরণে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

উপমন্ত্রী বলেন, সরকারের কাছে আমাদের অনেক রাজনৈতিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক প্রত্যাশা থাকে। রাজস্ব আয় থেকে সরকার এসব প্রত্যাশা পূরণ করে। এমপিওসহ অন্যান্য সব প্রত্যাশা পূরণ করতে হলে পর্যাপ্ত রাজস্ব আয় থাকতে হবে।

শিক্ষা উপমন্ত্রী আরো বলেন, শিক্ষা খাতে বেসরকারি অংশগ্রহণ অনেকে বেড়েছে। শিক্ষা পরিবারকে সমৃদ্ধ বেসরকারি উদ্যোক্তাদের আরো এগিয়ে আসতে হবে। শুধু শিক্ষা নয়, জাতীয় অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার স্বার্থে তাদের কন্ট্রিউবিশন নানাভাবে বিস্তৃত হচ্ছে।রাজস্বের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে সমাজে বৈষম্য কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মন্তব্য করেন শিক্ষা উপমন্ত্রী। তিনি বলেন, সাম্য না থাকলে স্থিতিশীলতা থাকবে না। ধনী-গরীবের বৈষম্য বাড়তে থাকবে। বৈষম্য বাড়ছে বলে ইতোমধ্যে অনেক আলোচনা হচ্ছে। এই বৈষম্য কমিয়ে আনা সম্ভব হবে রাজস্বের সঠিক ব্যবহার হলে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু আমাদের একটি কল্যাণকামী রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন।

সেজন্য তিনি সংবিধানে সমাজতন্ত্র শব্দটি অর্ন্তভুক্ত করেন। সেঅনুযায়ী শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা রাষ্ট্রের দায়িত্ব হবে। আর তা করতে গেলে রাজস্বের সঠিক ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি রাজস্ব আহরণে আমাদের ভূমিকা রাখতে হবে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, বেসরকারি স্কুল-কলেজসহ সকল পর্যায়ে যারা আয় করছেন, সেই আয়ের নির্দিষ্ট একটা অংশ জাতীয় রাজস্বে স্ব উদ্যোগে দিতে দেয়া উচিৎ। তিনি বলেন, অনেক ইংলিশ মিডিয়াম, বাংলা মিডিয়াম বিদ্যালয় হচ্ছে। জাতীয় অর্থনীতি বৃদ্ধি পাচ্ছে বলেই তো বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।