আদালত প্রাঙ্গণেই নুসরাতের ভাই নোমানকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি

ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার আসামিদের বিচারপ্রক্রিয়া চলমান। তবে নৃশংস হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার পরেও এতটুকু দমে যাননি আসামিরা। আদালত চত্বরেই মামলার বাদী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান ও পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকনকে হুমকি দিয়েছেন তারা।

ফেনীর সোনাগাজীর মাদরাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ মে) দুপুরে মামলার চার্জশিট শুনানির জন্য ২১ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

২১ আসামিকে প্রিজন ভ্যান থেকে নামানোর পর কোর্ট হাজতে নেয়া ও আদালতে উপস্থিত করার সময় তারা মাহমুদুল হাসান নোমান ও বাদীর আইনজীবী রফিকুল ইসলাম খোকনকে অকথ্য গালাগাল ও নানা হুমকি দেয়। এ সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে হট্টগোল করে।

মাহমুদুল হাসান নোমান জানান, মামলার আসামি ও তাদের আত্মীয়-স্বজনরা আদালতে প্রশাসনের সামনে আমাকে, আমার পরিবার ও আমার আইনজীবীকে নানা হুমকি দিয়ে গালমন্দ করে।

  যশোরে করোনা ওয়ার্ডে শিশুর মৃত্যু, লাশ ফেলে পালালেন স্বজনেরা!

নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম খোকন বলেন, আদালত প্রাঙ্গণে আসামিরা সন্ত্রাসী কায়দায় কাস্টডি থেকে বের হওয়ার সময় অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেছে। পারলে তারা আজকেই আমাদের সেখানেই খুন করত। তাদের কিছু আত্মীয়-স্বজনও সেভাবে হুংকার দিচ্ছে।

কোর্ট ইন্সপেক্টর মো. গোলাম জিলাণী বলেন, বৃহস্পতিবার নুসরাত হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অধ্যক্ষ এস.এম সিরাজ উদ দৌলা, কাউন্সিলর ও পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাকসুদ আলম, শিক্ষক আবছার উদ্দিন, সহপাঠী আরিফুল ইসলাম, নুর হোসেন, কেফায়াত উল্যাহ জনি, মোহাম্মদ আলা উদ্দিন, শাহিদুল ইসলাম, অধ্যক্ষের ভাগনি উম্মে সুলতানা পপি, জাবেদ হোসেন, জোবায়ের আহমেদ, নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, মো. শামীম, কামরুন নাহার মণি, আবদুর রহিম ওরফে শরিফ, ইফতেখার হোসেন রানা, এমরান হোসেন মামুন, মহিউদ্দিন শাকিল, হাফেজ আবদুল কাদের ও আওয়ামী লীগ সভাপতি ও নুসরাতের মাদরাসার সহ-সভাপতি রুহুল আমিনকে আদালতে হাজির করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *