মাউশি মহাপরিচালক

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাকা;  এমপিও নীতিমালা-২০১৮ সংশোধনের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে কম্পিউটার শিক্ষক যারা ছয় মাসের কোর্স করে হাইকোর্টের আদেশ নিয়েও দীর্ঘদিন এমপিওভুক্ত হতে পারছেন না তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার দাবি উঠেছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৭ মে ২০২০) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম ফারুক বরাবর এসব দাবি সংবলিত আবেদন করে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরাম।

তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে

#এমপিও নীতিমালা-২০১৮ সংশোধন করতে হবে।

#কম্পিউটার শিক্ষক যারা ছয় মাসের কোর্স করে হাইকোর্টের আদেশ নিয়েও দীর্ঘদিন এমপিওভুক্ত হতে পারছেন না তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

#শিক্ষকদের অভিজ্ঞতার ঘাটতির বিষয়ে কেইস টু কেইস সমাধান করতে হবে।

# এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বৈষম্য দূর করতে আসন্ন বাজেটে সব এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এক সাথে জাতীয়করণে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ রাখা।

# স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করতে আগামী বাজেটে বরাদ্দ রাখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।

  পিছিয়ে গেল প্রত্যাশিত গণবিজ্ঞপ্তি!

# এমপিওভুক্তিতে হয়রানি বন্ধে ৯টি অঞ্চলের উপপরিচালকে একটি বিশেষ আদেশ প্রদান।

# শিক্ষা অধিদফতরে শিক্ষকদের জন্য একটি মানবিক ইউনিট চালু করতে হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৭ মে ২০২০) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. মো. গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধি, শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ও আঞ্চলিক উপপরিচালকরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এমপিও সভায়  সরকারি স্কুল-কলেজের ৫৮২ জন শিক্ষক ও কর্মচারীকে এমপিওভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। চলতি মে মাস থেকে তাদের এমপিও কার্যকর হবে। একই সভায় ৩৪ জন শিক্ষককে বিএড স্কেল দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এছাড়াও সভায় এমপিওর আওতাভুক্ত শূন্যপদে কর্মরত ইনডেক্সবিহীন শিক্ষকদের এমপিওভুক্তি, ইনডেক্সধারী প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহপ্রধানদের অভিজ্ঞতার উচ্চতর স্কেল, সহকারী অধ্যাপক পদের স্কেল, বিএড স্কেল, সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদের এমপিওসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

আমাদের বাণী ডট কম/২৭  মে ২০২০/সিসিপি