যেভাবে রাজধানীতে ক্যাসিনোর উত্থান

উত্তরা র‌্যাব-১ এর কার্যালয়ে যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়া ওরফে খালেদ, জি কে বিল্ডার্সের স্বত্বাধিকারী জি কে শামীম এবং কলাবাগান ক্রীড়াচক্র ক্লাবের সভাপতি শফিকুল আলম ওরফে ফিরোজ আলমকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনজনই নতুন নতুন তথ্য দিচ্ছেন।

ক্যাসিনো ও টেন্ডারবাজি করে তারা কত কোটি টাকার মালিক হয়েছেন- সে বিষয়ে একটা তালিকা করা হচ্ছে।

এছাগা টেন্ডারবাজি ও ক্যাসিনোর টাকার কমিশন কারা পেতেন- সে বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তারা অনেকের নাম বলেছেন। কমিশন নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বেশকিছু সাবেক ও বর্তমান মন্ত্রী-এমপির নাম রয়েছে।

এই তালিকায় রাজধানীর বিএনপি ও যুবদলের বিভিন্ন ইউনিটের শীর্ষ পদে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নামও রয়েছে। বিশেষ করে যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এই মামলাগুলো পরিচালনা করতে গিয়ে তাদের আর্থিক অবস্থা ভালো নেই। তাই মাঝে মধ্যেই বিএনপির এসব নেতা জি কে শামীম ও ল্যাংড়া খালেদের কাছ থেকে টাকা নিতেন। দুবাইয়ে আত্মগোপন করা শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের সঙ্গে খালেদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকার তথ্যও মিলেছে। জিজ্ঞাসাবাদ সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

  রোগীর স্বজনদের মিথ্যা তথ্য: করোনায় আক্রান্ত ৫ ডাক্তার, ৪ নার্স ও ৩ স্বাস্থ্যকর্মী

এ ব্যাপারে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লে. কর্নেল সারোয়ার বিন কাশেম বলেন, ‘আমরা তাদেরকে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করছি। অনেক বিষয় নিয়ে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ ব্যাপারে বিস্তারিত বলা যাবে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *