জনসচেতনতাই আর্সেনিক থেকে বাঁচা সম্ভব। এর জন্য সমাজের প্রতিটি স্তরের সকল মানুষকেই জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং আর্সেনিকমুক্ত পানি ব্যবহার করা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হবে। নিজেদের ব্যবহৃত পানি পরীক্ষা করে আর্সেনিক আছে কিনা তা যাচাই বাছাই করতে হবে। খুব সহজে লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আর্সেনিক বিষয়ক জনসচেতনতা এক দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে কুষ্টিয়া জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার রওশন আরা বেগম এ কথা বলেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার কামরুজ্জামান সোহেল এর সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য ও ভিডিও স্লাইড প্রদর্শন করেন জেলা সিনিয়র স্বাস্থ্য অফিসার আব্দুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি আবু হানিফ।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একদিনের স্বাস্থ্য বিষয়ক জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে আর্সেনিকমুক্ত বিষয়ে প্রশিক্ষণের উপজেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ২০ জন প্রাথমিক শিক্ষক ও ১০ জন শিক্ষক মাধ্যমিকের অংশগ্রহণ করেন।
প্রশিক্ষণের স্বাগত বক্তব্যে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার কামরুজ্জামান সোহেল বলেন এ পর্যন্ত ৮৪ জন রোগীকে আর্সেনিকযুক্ত শনাক্ত করা হয়েছে। উপজেলার পদ্মার পাড় ঘেঁষা ক্ষুদ্র সাদা গরু ছাড়া সহ বিভিন্ন গ্রামে এ সকল রোগীদের সন্ধান পাওয়া গেছে। ইতিপূর্বে সকল এলাকার টিউবওয়েল পরীক্ষার টিউবলের পানি পরীক্ষা করে মার্কিং করে দেয়া হয়েছিল নতুন করে আবার টিউবল করা হয়েছে পানি পরীক্ষা করে আর্সেনিকযুক্ত কিনা তা নির্ণয় করে পরীক্ষা করা জরুরি বলে তিনি মতামত ব্যক্ত করেন।
