বাংলাদেশী ছাত্রী মাহজাবিনের গল্প

মাহজাবিন হক। গ্রামের বাড়ি সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার কদমরসুলে। বাবা সৈয়দ এনামুল হক পূবালী ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার। ২০০৯ সালে বাবা-মায়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যান মাহজাবিন। পাল্টে যেতে থাকে তার স্বপ্নগুলো। জীবনের পাখা মেলে ধরতে শুরু করেন তিনি।

সিলেটের মেয়ে মাহজাবিন হক চলতি বছরই মিশিগানের ওয়েন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নেন। এর পরেই ডাক পান যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা-নাসায়। তিনি এখন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি একমাত্র বাংলাদেশি নারী হিসেবে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে সেখানে কাজ শুরু করেন। পড়াশোনা চলাকালে দুদফায় নাসার জনসন স্পেস সেন্টারে ইন্টার্নশিপ করেছেন তিনি।

  করোনা: মানবিকতা ও বগুড়ার সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল

এদিকে মেয়ের সাফল্যে গর্বিত মাহজাবিনের বাবা এনামুল হক। তিনি বলেন, দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে কাজ করার পর নাসা, আমাজনসহ অনেক খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানে চাকরির সুযোগ পান মাহজাবিন। শেষ পর্যন্ত সে নাসাকেই বেছে নিয়েছে। বাবা হিসেবে এর চেয়ে পাওয়ার আর কিছুতে নেই।

উল্লেখ্য, মাহজাবিনের বাবা সৈয়দ এনামুল হক পূবালী ব্যাংকের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার। মাহজাবিন ২০০৯ সালে বাবা-মায়ের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যান। বাবা সৈয়দ এনামুল হক কর্মস্থল সিলেটে ফিরে এলেও মা ফেরদৌসী চৌধুরী ও একমাত্র ভাই সৈয়দ সামিউল হক যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। সৈয়দ সামিউল হক ইউএস আর্মিতে কর্মরত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *