আশরাফুল ইসলাম, গাইবান্ধা জেলা সংবাদদাতা;   জেলার পলাশবাড়ী উপজেলায় এসময়ে পাটের বড় হাটবাজার লাগতো। ছিলো বড় ছোট কোম্পানির পাটের এজেন্ট ও ব্যবসায়ী। বর্তমান সময়ে পাট চাষে উপজেলায় ধস নেমেছে পাটের চাষবাদ নেই বললেই চলে। আর উপজেলায় পাট চাষ আগের মতো না হওয়ায় বন্ধ হয়ে গেছে উপজেলার বড় বড় পাটের গুদাম গুলো ব্যবসায়িরা এখন ঝুকছেন অন্য কোন ব্যবসার দিকে। পাটের সেই সোনালী দিন আজ নতুন প্রজন্মের কাছে বুড়ি মার ঝুলির মতো গল্প। আর সেই পুরানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে ও পাট চাষাবাদ বাড়ানোর জন্য বর্তমান সরকার যখন প্রকৃত পাট চাষিদের তালিকা করে বীজ ও সার বিতরণের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কাজ করছে ঠিক সেই সময়ে গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ীতে প্রকৃত পাট চাষীর বদলে বীজ ও সার এখন নেতা নেত্রীসহ কৃষক নয় এমন ব্যক্তির পকেটে উঠছে।

পলাশবাড়ী উপজেলা সহকারি পাট কর্মকর্তা অফিস ঘুড়ে পাওয়া যায় বাস্তব চিত্র। এক কৃষক ৫ হতে ত্রিশ জনের বরাদ্দের সার একাই তুলছেন। এ অফিসের কর্মকর্তা খোকন সরেন বলেন,গত ৩ জুন হতে তালিকাভুক্ত চাষিদের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে ৬ কেজি ইউরিয়া,টিএসপি ৩ কেজি, এমওপি ৩ কেজি সহ মোট সার ১২ কেজি করে। এর আগে উপজেলার ২ হাজার কৃষকের মাঝে ১ কেজি করে বীজ দেওয়া হয়েছে। তবে এসব কৃষকের তালিকা চাইলেও তিনি তালিকা পাইতে আরো সময় লাগবে বলে জানান।

এদিকে একজন কৃষক একাধিক কৃষকের সারের স্লিপ নিয়ে সার বিতরণকারী সার ডিলারের নিকট ১৫০ টাকা দরে এসব স্লিপ বিক্রি করছেন বলে জানা যায়। তবে এসব সার বিক্রি ও অনিময়ের বিষয়টি অস্বীকার করে সহকারি পাট কর্মকর্তা খোকন সরেন বলেন, উপজেলায় কর্মরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের দেওয়া তালিকা অনুযায়ী সার ও বিজ বিতরণ করা হচ্ছে। করোনার কারণে কয়েকজন কৃষকের বরাদ্দ একজন কে দেওয়া হচ্ছে।

এবিষয়ে গাইবান্ধা মুখ্য পাট পরিদর্শক মকবুল হোসেন জানান,সার বিজ বিতরণে এক কৃষকের সার বিজ অন্য কৃষকে দেওয়ার সুযোগ নাই।

আমাদের বাণী ডট কম/১৪  জুন ২০২০/ডিএ 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।