নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাকা; করোনা ভাইরাস জনিত রোগ কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ রোধের এবং পরিস্থিতি উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে সীমিত আকারে সরকারি দপ্তর সমূহ খোলা রয়েছে।
এ প্রেক্ষাপটে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অফিস শুধুমাত্র প্রশাসনিক রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনে (যথা ছাত্রভর্তি, বিজ্ঞানাগার, পাঠাগার, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় ইত্যাদি) সীমিত আকারে খোলা রাখা যাবে। আজ সোমবার (০১ জুন ২০২০) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পিআরও মোহাম্মদ আবুল খায়ের।
তবে অসুস্থ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী, সন্তান সম্ভবা নারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরিধান এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ/স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক জারিকৃত সকল স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে এবং পরিস্থিতি উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। তবে সীমিত আকারে সরকারি দপ্তরসমূহ খোলা রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অফিস শুধুমাত্র প্রশাসনিক রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজনে (যথা ছাত্রভর্তি, বিজ্ঞানাগার, পাঠাগার, যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় ইত্যাদি) সীমিত আকারে খোলা রাখা যাবে। তবে অসুস্থ শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী, সন্তান সম্ভবা নারী এবং ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন। বলা হয়, পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে সর্বাবস্থায় মাস্ক পরিধান এবং স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ/স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক জারিকৃত সকল স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
এদিকে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনের সর্বশেষ (০১ জুন ২০২০) তথ্য অনুযায়ী, দেশে মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২২ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট ৬৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও ২ হাজার ৩৮১ জন । এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪৯ হাজার ৪৭ হাজার ৫৩৪ জনে। দেশে ৫২টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৩ হাজার ১০৪টি এবং পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ হাজার ৪৩৯টি। আক্রান্তের হার ২০.৮১ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৮১৬ জন এবং এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১০ হাজার ৫৯৭ জন। সুস্থতার হার ২১.৩৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১.৩৬ শতাংশ। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানানো হয়, পুরুষ ১৯ জন ও নারী তিনজন। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের আটজন, সিলেট বিভাগের দুইজন ও বরিশাল বিভাগের একজন। বয়স বিশ্লেষণে জানা যায়, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন ৪১-৫০ আটজন, ৫১-৬০ চারজন, ৬১-৭০ সাতজন এবং ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন। হাসপাতালে মারা গেছেন ১৬ জন, বাড়িতে পাঁচজন ও হাসপাতালে আনার পথে একজন।
আমাদের বাণী ডট কম/০১ মে ২০২০/সিসিপি
