Shadow

ফরিদপুরে পদ্মার পানি বিপৎসীমার ১০৫ সেমি উপরে

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ফরিদপুর জেলা সংবাদদাতা;  জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। প্রতিদিনই প্লাবিত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর পানি ৭ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে এখন তা বিপৎসীমার ১০৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

টানা কয়েকদিন ধরে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সদর উপজেলার নর্থচ্যানেল, চরমাধদিয়া, ডিক্রিরচর ও আলিয়াবাদ ইউনিয়নের কয়েক হাজার ঘর-বাড়ি, স্কুল, মসজিদ, মাদ্রাসা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এ সব এলাকার পানিবন্দি মানুষরা তাদের গবাদি পশু নিয়ে আশ্রয় গ্রহণ করেছেন শহরের বেড়িবাঁধের উপর।

এ ছাড়া, পানির স্রোতে ফরিদপুর-সদরপুরের চলাচলের একমাত্র রাস্তা ভেঙে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। জেলায় আগাম বন্যার পানি প্রবেশ করায় কয়েক হাজার ফসলি ক্ষেত ও সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে।

এ দিকে পদ্মা, মধুমতি ও আড়িয়াল খাঁ নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ফরিদপুর সদর উপজেলা ছাড়াও সদরপুর চরভদ্রাসন ও আলফাডাঙ্গা উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতি হয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে আরও কয়েকটি গ্রাম। এই চারটি উপজেলার ৩৫টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পরেছে। এ সব এলাকায় দেখা দিয়েছে গোখাদ্য ও বিশুদ্ধ খবার পানির সংকট।

অপরদিকে, জেলার সদরপুর উপজেলায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় আকোটেরচর ও ঢেউখালী ইউনিয়নে নতুন নতুন এলাকা বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। এ ছাড়াও চরাঞ্চলের ৩টি ইউনিয়নের প্রায় ৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

  রাজবাড়ীতে আরও ৩৫ জনের করোনা শনাক্ত

এলাকার নলকূপ ডুবে যাওয়ার কারণে বিশুদ্ধ পানির পাশাপাশি গোখাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। বন্যায় বোনা আউশ, আমন ধান, আমন বীজ তলা, শাক-সবজির মাঠ তলিয়ে গেছে। বন্যাকবলিত পরিবারগুলো নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য গরু-ছাগল নিয়ে স্কুল, উঁচু রাস্তায় ও বন্যানিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূরবী গোলদার জানান, শনিবার ৩টি ইউনিয়িনের প্রায় ১ হাজার পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এ ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আমাদের বাণী ডট কম/১৮  জুলাই ২০২০/পিপিএম

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •