কুষ্টিয়া জেলা সংবাদদাতা ; জেলার খোকসা উপজেলার কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার হাট-বাজার অফিস-আদালত ও বিপণিবিতান সহ সকল ক্ষেত্রেই এলাকাবাসী স্বাস্থ্যবিধি না মানায় করোনাভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীরা।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার কামরুজ্জামান সোহেল বলেন, উপজেলার এখন পর্যন্ত ১২ জন করোনা পজিটিভ রোগী রয়েছেন যার মধ্যে সবাই ঢাকা থেকে খোকসায় আসে। ঢাকা ফেরতদের হোম কোয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক থাকলেও তারা বাড়িতে এসে অবাদে বিপণিবিতান বাজার সদায় সহ মসজিদ উপাসনালয় ও হাসপাতালে বিচরণ করছে। এসব জায়গায় এলাকাবাসীর স্বাভাবিক পদচারনায় করোনা মহামারী আকার ধারণ করার আশঙ্কা প্রকাশ করছে এলাকাবাসী।
এদিকে বুধবার দুপুর থেকে দেখা গেছে, খোকসা জানিপুর বাজারে স্বাস্থ্য বিধি না মেনে এলাকা সাধারণ মানুষ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। উপজেলার থানা মোড় এলাকায় একই চিত্র দেখা গেছে। এমনকি স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা মোতাবেক হ্যান্ড স্যানিটাইজার মাস্ক ও অন্যান্য স্বাস্থ্য উপকরণ সবাইকে নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা থাকলেও অধিকাংশ ক্রেতা বিক্রেতারা মানছে না। এমনকি এলাকাবাসী স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা করছে না। বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে এলাকাবাসীর।
স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা এলাকাবাসী না মানলে করোনা মহামারী আকার ধারণ করতে পারে বলে জানান স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনা যদি এলাকাবাসী না মেনে চলেন তবে মহামারী আকার ধারণ করবে বলে স্থানীয় সুশীল সমাজ, শিক্ষক ও ব্যবসায়ীদের অভিমত। এ বিষয়ে সকলের মতামতের ভিত্তিতে কঠোরভাবে লকডাউন করে যদি মোকাবেলায় প্রশাসন নজরদারি করেন অবশ্যই খোকসাবাসীকে করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা করা সম্ভব বলেও দাবি করেন।
এ বিষয়ে খোকসা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল আলম এর সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমরা প্রতি মুহূর্ত সরকারের নির্দেশনা মেনে এলাকাবাসীকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচলের নির্দেশ দিয়েছি। তবে এলাকাবাসী সচেতন না হলে একার পক্ষে সমাধান করা সম্ভব নয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ কামরুজ্জামান সোহেল বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে, এলাকাবাসী স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিদিনই অক্লান্ত পরিশ্রম করছি এবং তাদের সুবিধা-অসুবিধা তাৎক্ষণিক সমাধান করার চেষ্টা করছি। এলাকাবাসীকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য অনুরোধ করছি। প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাইরে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি।
আমাদের বাণী ডট কম/১০ জুন ২০২০/ডিএ
