ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা;   কোভিড-১৯ করোনাভাইরাস হতে দেশের মানুষকে সচেতন করতে শুরু থেকে সাহসিকতার সাথে কাজ করছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা। করোনাকে ভয় না করে সাহসিকতা ও আন্তরিকতার সাথে মানবিক সেবা করতে গিয়ে এ বাহিনীতে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হার প্রতিদিন বেড়েই চলেছে।

মৃত্যুর ভয় জয় করে মানবিক সেবাসহ দায়িত্ব-কর্তব্য নিষ্ঠার সাথে পালন করে জনগণের কাছে সুনাম অর্জন করেছে এ বাহিনীর সদস্যরা। গতকাল রবিবার (২৬ জুলাই) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে বাহিনীতে আক্রান্ত হয়েছে ৭ জন।

এছাড়া এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৯৬৩ জন। আক্রান্তের মধ্যে রয়েছেন কর্মকর্তা ২১ জন, ব্যাটালিয়ন আনসার ৩৫৬ জন, মহিলা আনসার ০৩ জন, সাধারণ আনসার ৫৩৭ জন, কর্মচারী ০৭ জন, ভিডিপি সদস্য ১৬ জন, বিশেষ আনসার ০৪ জন, উপজেলা প্রশিক্ষক ০৮ জন, উপজেলা প্রশিক্ষিকা ০৩ জন, হিল আনসার ০৫ জন এবং উপজেলা আনসার কোম্পানী কমান্ডার ০৩ জন।

এর মধ্যে ঢাকায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪৯৪ জন এবং ঢাকার বাইরে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬৯ জন। এ বাহিনীর বিভিন্ন থানা/ক্যাম্প/হোটেল/হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ২১১ জন। করোনা আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৪৬ জন সদস্য। করোনায় আক্রান্ত হয়ে এ বাহিনীর এক কর্মকর্তাসহ ৭ জন সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন।

অন্যদিকে ৫ কর্মকর্তাসহ মোট ৫৯৯ জন সদস্য সুস্থ হয়েছেন, সুস্থতার হার ৬২ শতাংশের চেয়ে বেশি। সুস্থ হয়েছেন কর্মকর্তা ০৫ জন, ব্যাটালিয়ন আনসার ১৮৩ জন, সাধারণ আনসার ৩৮৬ জন, কর্মচারী ০৪ জন, মহিলা আনসার ০২ জন, ভিডিপি সদস্য ০৬ জন, উপজেলা আনসার কমান্ডার ০১ জন, বিশেষ আনসার ০৪ জন, হিল আনসার ০৪ জন এবং উপজেলা প্রশিক্ষক ০৪ জন।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবর্শেষ (২৭  জুলাই ২০২০) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আরও  ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন আরো ২ হাজার ৭৭২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২ লাখ ২৬ হাজার ২২৫ জন। আর মোট মারা গেছেন ২ হাজার ৯৬৫ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৮৫৯টি। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১.৫৬ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত ২০.১২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮০১ জন এবং এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৮৩ জন। সুস্থতার হার ৫৫.৫৬ শতাংশ। মৃত্যুর হার ১.৩১ শতাংশ। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ ২৬ জন ও নারী ১১ জন। এবং এ পর্যন্ত মারা গেছেন পুরুষ ২ হাজার ৩৩২ জন ও নারী ৬৩৩ জন। বয়স বিশ্লেষণে জানা যায়, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১-৪০ একজন, ৪১-৫০ সাতজন, ৫১-৬০ সাতজন, ৬১-৭০ ১২ জন, ৭১-৮০ আটজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন। হাসপাতালে মারা গেছে ৩৩ জন এবং বাড়িতে চারজন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ৫৫০ জনকে এবং আইসোলেশন থেকে ছাড় দেয়া হয়েছে ৬৭৫ জনকে।

আমাদের বাণী ডট কম/২৭ জুলাই ২০২০/পিপিএম

সৈয়দপুরের বিজ্ঞাপন

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।