ছাগলমারা খাল উদ্ধারে নোয়াখালীর মাইজদীতে প্রসাশনের তরফ থেকে সেনাবাহিনী সহ বিএডিসি(সেচ) নোয়াখালী , বাখরাবাদ গ্যাস নোয়াখালী , পিডিবি নোয়াখালী, নোয়াখালী পৌরসভা ও জেলা প্রশাসন নোয়াখালী এর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ,বিভিন্ন সংস্থার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জোর তৎপরতা চলছে, বলতে গেলে কুরুক্ষেত্রে মহাযুদ্ধ।

সাধুবাদ, শুভকামনা প্রশংসা, ফেসবুক, মিডিয়া সহ জনগনের মুখে মুখে। আবেদন উঠেছে উপজেলা গুলোতেও শুরু হোক খাল উদ্ধার কার্য্যক্রম।

নোয়াখালী মাইজদী সোনাপুর চৌমুহানী সড়কের পাশ দিয়ে ছাগল মারা খালের পানি নোয়াখালী হয়ে যাবে সমুদ্রে। আউট ফলের সংযোগ তথা বিভিন্ন পয়েন্টের প্রতিবন্ধকতা, খালের গভীরতা, পানির লেভেল নিশ্চয় রয়েছে প্রশাসনের বিবেচনায়।

এ দেশে একটা উন্নয়নমুলক কাজ করতে অনেক কাঠ খড় নিয়মের জাল ছিড়তে হয়, পাবলিক সেন্টিমেন্ট মোকাবেলা করতে হয়।পেশী শক্তির মোকাবেলা করতে হয়।যারা করে তারাই জানে।আমরা তুলি আঙ্গুল।

এ দেশের মানুষ যারা ভোগ দখল করে তারা শুধু তাদের কথাই ভাবে। স্বার্থবাজ, স্বার্থপরদের কারনেও খাল, ড্রেন,জমি কোনটা খাস, কোনটা সরকারী, কোনটা মালিকানা বুঝা মুশকিল। অল্প বৃষ্টিতে বন্যায় ভাসে দরিদ্র নিন্মবিত্ত, মধ্যবিত্ত জনসাধারণ।

আমরা করি সরকারকে নিয়ে ট্রল,অবশ্য অন্য সরকার থাকলেও এর চেয়ে বেশি ট্রল হবে কম নয়। আমরা ভাবিনা কি করছি আমরা।অসৎ মানুষ, অসৎকর্মকর্তার যোগ সাজেসে হয় দুর্ণীতি আর আমার মতো লোক প্রতিবাদ করলে জনগন বলে আমার বাড়ি যেন করে দেই ডাষ্টবিন তাহলে সড়কে আর ফেলবেনা আবর্জনা,এই আবর্জনার জঞ্জালের জালে নগর মহানগর থেকে গ্রাম পর্যন্ত জঞ্জাল রয়ে যায় নির্ধারিত জায়গার অভাবে মহাসড়কে ধারে,

আর সবচেয়ে বেশি আমাদের আলসেমীর আর খরচ কমানোর প্রবণতায় জায়গায় দাঁড়িয়ে মল মুত্র ত্যাগের মতো ময়লা ছুড়ি ঘর,প্রতিষ্ঠানের সামনের ড্রেনে,রাস্তায়, যাক ফিরে আসি ছাগল মারা খালে।

আজ সকাল এগারোটায় পৌর বাজারের সামনে সেই খাল মানে পাকা নালায় দেখলাম ময়লা ফেলছে আম,কলা কাঁঠাল দোকানীরা।

কাঁঠাল, আম, কলার দোকান চলছেই, জানোয়ার গুলো ময়লা ফেলছেই।অদুরে

খাল উদ্ধারে প্রশাসন ভাঙছে ইমারতের সামনে স্কুলের পেছনে।এদের চোখে লজ্জা না থাক একটু দয়া মায়া সন্মানবোধতো থাকতে পারে!

যে সরকার ক্ষমতায় থাক মন্দের সাথে কিছু ভালো কাজতো করে।সে ভালো কাজ গুলোতেতো সহযোগীতা করাই যায়।সে দিন চায়ের টং দোকানে লোকজন বলছিলো
যে কাজ কোন সাংসদ চেয়ারম্যানরা করতে পারেনি মাইজদী নোয়াখালীতে তা যখন সেনবাহিনীর সহিযোগীতায় সরকার তথা প্রসাশন করছে তখন একটু লজ্জা নিয়ে আবর্জনা গুলো ড্রেনে না ফেললে কি হয়?

যদিও শহরের রাস্তায় কিছুদুর পর পর ই অলিখিত নন ডেজিগনেটেড ডাষ্টবিন সেখানে ফেললেওতো পারে তাদের বর্জ্য
!বিদেশে রাস্তায় ময়লা ফেললে জরিমানা হয়,ড্রেনে ফেললে জরিমানা হয়,ছাগল মারা খাল উদ্ধার করে জরিমানার বিধান চালু হোক।তথা দেশের সর্বত্র এই নিয়ম জরুরী।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।