প্রতি কদমে কদমে গর্ত, কোথাও কোথাও আবার ছোট খাটো পুকুর, একটু বৃষ্টিতেই জমে পানি। মাঝে মাঝে রাস্তার দুপাশ ভাঙা। গাড়িতে উঠলেই ঝাঁকুনি। প্রতিদিনই উল্টে যায়, ভেঙে যায় মাল ও যাত্রীবাহী গাড়ী। বিকল হয়ে পড়ে থাকে যানবহন। রাস্তা দিয়ে চলাচলকারী সুস্থ মানুষগুলোও অসুস্থ যায়, আর অসুস্থ মানুষের কথাতো বলাই বাহল্য। সব মিলে চরম ভোগান্তি আর বেহাল দশা এবং মৃত্যুর ফাঁদে পরিণত হয়েছে কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলাধীন দক্ষিণাঞ্চলীয় যদুবয়রা, চাপড়া, বাগুলাট, চাদপুর ও পান্টি ইউনিয়নবাসীর রাজধানী ও জেলা শহরে যোগাযোগের একমাত্র রাস্তা এটি। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী ঝিনাইদহ জেলার শৈলকূপা উপজেলাবাসীও ব্যবহার করে এ রাস্তাটি। ফলে এ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ও মানুষের চলাচল। কিন্তু কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও জনপ্রতিনিধিদের অবহেলায় রাস্তাটি নির্মাণের পর কোনো দিন সংস্কারের মুখ দেখিনি। ফলে সৃষ্টি হয়েছে খানাখন্দ।
অটোভ্যানচালক পলান মণ্ডল জানান, রাস্তায় শত শত গর্ত, কোথাও পুকুরের মতো। বৃষ্টি হলেই জমে পানি। রাস্তার ঢালা পিচ অনেক আগেই উঠে গেছে, ২০ মিনিটের পথ যেতে লাগে ৪০-৫০ মিনিট, প্রতিদিনই প্রায় অটোসহ অন্যান্য গাড়ি উল্টে যায়, যাত্রী আহত হয়। আরেক অটোগাড়িচালক আনিসুর রহমান বলেন, এ রাস্তা দিয়ে একজন সুস্থ মানুষ কুষ্টিয়া পর্যন্ত যাওয়া-আসা করলে অসুস্থ হয়ে যায়। আর কোনো অসুস্থ মানুষ এ রাস্তা দিয়ে যেতেই চায় না।
উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের সার্ভেয়ার আবদুর রহমান নয়া দিগন্তকে বলেন, জিকে ক্যানালসংলগ্ন রাস্তাটি ১৫ কিলোমিটারের (সান্দিয়ারা-লাহিনী কুমারখালীর অংশ) মধ্যে ৫.৫ মি কার্পেটিং এবং সোল্ডারসহ মোট ৭.৩২ মিটার চওড়া করার জন্য ১৫ কোটি ৭ লাখ ৪৯ হাজার ৮৫৩ টাকা প্রাক্কলিত বাজেট পাস হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি দ্রুত রাস্তাটি মেরামত করে চলাচলের উপযোগী করা হোক।
