হুমায়ুন কবির, কুষ্টিয়া জেলা সংবাদদাতা; জেলায় নতুন করে আরও ১  জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা শনাক্তের সংখ্যা (বহিরাগত বাদে) দাঁড়ালো ৫৮ জনে। নতুন শনাক্তকৃত জেলার  ভেড়ামারা উপজেলার ৪৭ বছর বয়সী এক পুরুষ।

আজ শনিবার ৩০  মে ২০২০) সন্ধায় কুষ্টিয়ার জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার এস এম আনোয়ারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবের প্রাপ্ত তথ্য মতে, আজ কুষ্টিয়ার ৩৪ টি নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়া গেছে যার মধ্যে ১ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে।  বাকিগুলোর ফলাফল নেগেটিভ৷

নতুন ১  জনসহ শনাক্তকৃত ৫৮  জনের মধ্যে দৌলতপুর উপজেলায় ১৯ জন, ভেড়ামারা উপজেলায়৭   জন, মিরপুর উপজেলায় ১০ জন, সদর উপজেলায় ৮  জন, কুমারখালী উপজেলায় ১১ জন ও খোকসা উপজেলায় ৪জন। ৫৭ জনের মধ্যে পুরুষ রোগী ৪৪ ও নারী ১৪  জন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে হাসপাতালের ছাড়পত্র পেয়েছেন ২৬  জন।

উপজেলা ভিত্তিক সুস্থ ২৪ জনের মধ্যে দৌলতপুর উপজেলায় ৯ জন, ভেড়ামারা উপজেলায় ২, মিরপুর উপজেলায় ৪, সদর উপজেলায় ৩ জন, কুমারখালী উপজেলায় ৫ জন, খোকসা উপজেলায় ১ জন এবং বহিরাগত ২ জন। বর্তমানে হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন ৩৪ জন।

এদিকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনের সর্বশেষ (৩০মে ২০২০) তথ্য অনুযায়ী,গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০টি ল্যাবের মধ্যে নমুনা সংগ্রহ করেছি ১ হাজার ৪৪৩টি। নমুনা পরীক্ষা করেছি ৯ হাজার ৯৮৭টি গতকাল নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল ১১ হাজার ৩০১টি। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ২ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪টি নমুনা। ২৪ ঘণ্টায় এই সংগৃহীত নমুনা থেকে শনাক্ত রোগী পেয়েছি ১ হাজার ৭৬৪ জন। এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ৪৪ হাজার ৬০৮ জন। শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণ করেছে ২৮ জন। এ পর্যন্ত মৃত্যু দাঁড়ালো ৬১০ জন। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। সুস্থ হয়েছে ৩৬০ জন। মোট সুস্থ হয়েছে ৯ হাজার ৩৭৫ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১ দশমিক ০২ শতাংশ। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানানো হয়, পুরুষ ২৫ জন ও নারী তিনজন। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের সাতজন, রংপুর বিভাগের দুইজন ও সিলেট বিভাগের একজন। ঢাকা বিভাগের মধ্যে ঢাকা সিটির আছেন ১০ জন। বয়স বিশ্লেষণে জানা যায়, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে চারজন, ৪১-৫০ চারজন, ৫১-৬০ নয়জন, ৭১-৮০ তিনজন এবং ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে দুইজন। হাসপাতালে মারা গেছেন ২৬ জন ও বাকি দুজন বাড়িতে। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ৪৬৯ জনকে। আইসোলেশন থেকে ছাড় দেয়া হয়েছে ৮০ জনকে।

আমাদের বাণী ডট কম/৩০  মে ২০২০/সিসিপি 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।