শিক্ষাক্ষেত্রে উৎসাহিত দিতেই আজকের এই সম্মাননা। প্রতিটা ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং সর্বোপরি বিদ্যালয়ের অবস্থার উপর নির্ভর করে উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ও মাদ্ররাসার শিক্ষার সঠিক মূল্যায়ন করতেই জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯ এর সম্মাননা পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

রবিবার সকালে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা হলরুমে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯ এর ফলাফল ও সম্মাননা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সদর উদ্দিন খান এ কথা বলেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাফ্ফারা তাসনীন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম রেজা, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, সাবেক খোকসা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফারুক আহমেদ ও বিশিষ্ট সমাজসেবক আরিফুল আলম যশোর।

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০১৯ এর প্রধান কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহি অফিসার মাফফারা তাসনীন সদস্য সচিব উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার…. সকল বিষয়ের তদারকি করে উপজেলা পর্যায়ের মাধ্যমিক মাধ্যমিক পর্যায়ের ২৪ টি বিদ্যালয় ৮ টি মাদ্রাসা ও ৪ টি কলেজ সর্বমোট ৩৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মধ্য থেকে মাধ্যমিক পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে খোকসা জানিপুর সরকারি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ পর্যায়ে খোকসা সরকারি কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায়ের চাঁদট হুসনুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসা শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে বিবেচিত হয়েছে।

শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসাবে মাধ্যমিক পর্যায়ে খোকসা জানিপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীমা আক্তার বানু, কলেজ পর্যায়ে খোকসা সরকারি কলেজের প্রধান শিক্ষক আনিসুজ্জামান ও মাদ্রাসা পর্যায়ে গনেশ পুর দাখিল মাদ্রাসার বদিউজ্জামান নির্বাচিত হয়েছেন।

শ্রেষ্ঠ শ্রেণী শিক্ষক হিসাবে মাধ্যমিক পর্যায়ে শোমসপুর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক বিজলী রানী সাহা, কলেজ পর্যায়ে খোকসা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষক রবিউল ইসলাম ও মাদ্রাসা পর্যায়ে সদ আলহাজ্ব সদর উদ্দিন খান দাখিল মাদ্রাসা সহকারী শিক্ষক মিকাইল হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।

এছাড়াও সৃজনশীল মেধা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১২ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক ও মাদ্রাসা পর্যায়ের মোট ১৩ টা ইনভেন্টেড ৩৯ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়েছে। ইভেন্টগুলো হল, কেরাত, হাম নাত, ও রচনা প্রতিযোগিতা, কবিতা আবৃত্তি, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, তাৎক্ষণিক অভিনয়, দেশাত্মবোধক গান, রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল সংগীত, লোকসংগীত, উচ্চাঙ্গ সংগীত, জারি গান, নৃত্য ও লোকনৃত্য প্রমূখ।

পৃথক কমিটি দ্বারা বাছাইকৃত এই সকল প্রতিযোগীদের বিভিন্ন ইভেন্টের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় প্রথম দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী করা হয়েছে। সকল প্রতিযোগীদের নিয়ে উপজেলা হলরুমে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট ও সনদপত্র তুলে দেন প্রধান অতিথি আনোয়ার সদর উদ্দিন খান ও বিশেষ অতিথি সহ অনুষ্ঠানের সভাপতি উপজেলা নির্বাহি অফিসার। এ সময় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষা প্রধান শিক্ষক শিক্ষার্থী বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারীগন উপস্থিত ছিলেন ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।