কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার ৫ টি কলেজ ও তিনটি মাদ্রাসায় এইচএসসি, আলিম পরীক্ষায় ও বিএম (ভোকেশনাল) মোট ১হাজার ২১১ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে পাশ করেছে ৭৭৭ জন শিক্ষার্থী।  জিপিও -৫ পেয়েছে ১০ জন শিক্ষার্থী। উপজেলায় মোট ফেল করেছেন ৪৩৪ জন শিক্ষার্থী।

বুধবার বিকেলে খোকসা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ নাজমুল হক স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান,  ২০১৯ সালের এইচ এস সি,  আলিম ও বিএম (ভোকেশনালে) পাশের হার যথাক্রমে  এইচএসসিতে ৬০.৮০ শতাংশ, আলিম এ ৬৫.৭১ শতাংশ,  ও বিএম (ভোকেশনাল) ৭৬.৪৭ শতাংশ।

এদের মধ্যে খোকসা সরকারি কলেজের ৪৬৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৬০ জন পাস করেছে। পাসের হার ৫৬.০৩ শতাংশ জিপিও -৫ পেয়েছে ৭ জন শিক্ষার্থী। সমষপুর আবু তালেব ডিগ্রী কলেজে ১৬৫ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১১৯ জন পাশের হার ৭২.১২ জিপিএ -৫ পেয়েছে ২ জন। আলহাজ্ব সাইদুর রহমান মন্টু মহিলা কলেজ থেকে ১২৯ জন এর মধ্যেই কাশির জন পাস করেছে পাসের হার ৬২.৭৯ শতাংশ এ কলেজ থেকে কোন জিপিএ পাইনি। ধোকরাকোল ডিগ্রী কলেজ থেকে ৯০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৫২ জন পাস করেছে। পাশের হার ৫৭.৭৮ শতাংশ। এছাড়াও রামনাথপুর স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ৫৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩৭ জন কৃতকার্য হয়েছেন পাশের হার ৬৭.২৭ এ কলেজ থেকে কোন জিপিএ -৫ পাইনি।
এছাড়া উপজেলার তিনটি মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় ৭০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৪০ জন পাস করেছে পাসের হার ৬৫.৭১ শতাংশ উপজেলায় আলিম এ কোন জিপিএ -৫ পাইনি।
বিএম (ভোকেশনাল) এ এইচএসসি পরীক্ষায় ২০১৯ সালে ২৩৮ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৮২ জন পাস করেছে পাসের হার ৭৬.৪৭ শতাংশ। বিএম (ভোকেশনাল)  ১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ -৫ পেয়েছে।

উপজেলার এইচএসসি আলিম বা সমমান পরীক্ষায় পাসের হার যাইহোক শিক্ষক অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের আশানুরূপ ফল হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
তবে উপজেলার অভিজ্ঞ মহল বলছেন শিক্ষার গুণগত মান ফিরিয়ে আনতে না পারলে অদূর ভবিষ্যতে এই শিক্ষা ও শিক্ষা সমাজের জন্য বড় কলঙ্ক বহন করবে বলে তারা মনে করেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।