প্রতিষ্ঠার ১০ বছর পরে পৌরবাসীর জন্য সুপেয় পানী ও জলের সরবরাহে পাইপ লাইনের সুব্যবস্থা উদ্বোধন করেন খোকসা পৌর মেয়র। বর্তমান সরকারের সারাদেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর কর্তৃক প্রায় আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে পৌরসভার সাড়ে ৫ ‘শ হাউজ হোল্ডারদের সুপেয় পানীর সুব্যবস্থা জন্য সরবরাহ লাইনের উদ্বোধন করা হয়।

সদ্য নির্মিত পৌর ভবনের পিছনে প্রায় ৬ শতাংশ জায়গার উপর পৌরবাসীর নিরবচ্ছিন্ন সুপ্রিয় পানীয় জলের ব্যবস্থার জন্য স্বয়ংক্রিয় পাম হাউস ও পানি শোধনাগার নির্মান কল্পে ২০১৮-১৯ অর্থবছরেই প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এ প্রকল্পের পরবর্তী অংশ ১৬ কিলোমিটার পানির পাইপ লাইন নির্মাণ কাজের শুরু হলো।

এ বিষয়ে উপজেলা উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ আলমগীর হোসেন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, ১৬ কিলোমিটার পাইপলাইনের বর্তমান সরকারের ৩২ পৌরসভার পানি সরবরাহ প্রকল্পের অংশ হিসেবে ২ কোটি ৪ লাখ ১৩ হাজার টাকার প্রকল্পের কাজের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মনির ট্রেডার্সের পাইপলাইন নির্মাণের কাজ শুরু হলো।

২০০১ সালে প্রতিষ্ঠুত খোকসা পৌরসভা কলেবরে বর্তমানে আবাসিক ৩ হাজার ৪৬৫ টি ও বাণিজ্যিক ১ হাজার ৭৭৯ টি সহ মোট ৫ হাজার ২৪৪ টি নিবন্ধিত হোল্ডার রয়েছে। দীর্ঘদিনের পরবাসে দাবির প্রেক্ষিতে প্রভাবন পয়োনিষ্কাশনের প্রিয় পানীয় জলের ব্যবস্থা হয় পৌরবাসীগণ বর্তমান সরকারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।

পাইপ লাইন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সময় পৌর মেয়র প্রভাষক তারিকুল ইসলাম তারিক বলেন, তিনি পৌরসভার মেয়র হওয়ার পর পরবাসী দাবির প্রেক্ষিতে নিজস্ব জায়গায় পৌরভবন ও পয়োনিষ্কাশন এর জন্য ব্যবস্থা সহ সুপ্রিয় পানীয় জলের জন্য আজকে পাইপলাইনের সুব্যবস্থা করে প্রবাসীর দাবির অনেকটাই পূরণ হয়েছে বলে মনে করি তত প্রবাসীর কাছে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ আমাকে এ কাজগুলো করার সুযোগ করে দেওয়াই।

তিনি আরও বলেন বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের এই অংশের টাকা খোকসা পৌরবাসীর কল্যাণের জন্য ব্যয় করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য বড় বাসীর পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানাই।
তিনি আগামীতে পৌরবাসী সেবা করার সুযোগদানের সহযোগিতা চেয়েছেন পৌরবাসীর কাছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।