গাজীপুর সংবাদদাতা; গাজীপুর মেট্রোপলিটন স্কুলের প্রধান শিক্ষক শফিউদ্দিন আহমেদ করোনায় মারা গেছেন। শুক্রবার রাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাকে দাফন করা হয়েছে। শফিউদ্দিন গাজীপুর মহানগরের পূর্ব চান্দনা এলাকার বাসিন্দা। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

  • গাজীপুর মহানগরীর ১৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. রফিকুল ইসলাম জানান, শফিউদ্দিন আহমেদ ২০১০ সালে স্থানীয় নাওজোর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক থেকে অবসরে যাওয়ায় পূর্ব চান্দনা এলাকায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন স্কুলে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। তিনি দীর্ঘদিন ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। তিনি জ্বর এবং বুকে ও মাথায় প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করলে বৃহস্পতিবার রাতে তাকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ২টার দিকে তিনি মারা যান। মৃত্যুর পর ওই হাসপাতালে তার নমুনা পরীক্ষা করলে তার দেহে করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে।

  • তিনি আরো বলেন, শিক্ষক শফিউদ্দিন দীর্ঘদিন যাবত ডায়াবেটিসে ভুগছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি জ্বর, বুকে ও মাথায় প্রচন্ড ব্যথা অনুভব করলে তাঁকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করানো হয়। পরে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত দুইটার দিকে তিনি মারা যান। মৃত্যুর পর ওই হাসপাতালে তার নমুনা পরীক্ষা করলে তার দেহে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন পজেটিভ ধরা পড়ে। শুক্রবার (৫ জুন) রাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তাঁকে পূর্ব চান্দনা এলাকায় দাফন করা হয়েছে। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।

 স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এর করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী,  দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩০ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯)। ফলে ভাইরাসটিতে মোট ৭১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৮২৮জন। এতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল৬০ হাজার ৩৯১ জনে। ৫০টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৬৪৫টি এবং পরীক্ষা করা হয়েছে ১৪ হাজার ৮৮টি। আক্রান্তের হার ২০.০৭ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৬৪৩ জন এবং এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১২ হাজার ৮০৪ জন। সুস্থতার হার ২১.২০ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১.৩৪ শতাংশ। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানানো হয়, পুরুষ ২৩ জন ও নারী সাতজন। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১২ জন, সিলেট বিভাগের তিনজন, রাজশাহী বিভাগের দুইজন, বরিশাল বিভাগের একজন ও রংপুর বিভাগের একজন। বয়স বিশ্লেষণে জানা যায়, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৪১-৫০ সাতজন, ৫১-৬০ ১১ জন, ৬১-৭০ ছয়জন, ৭১-৮০ দুইজন এবং ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন। হাসপাতালে মারা গেছেন ১৭ জন এবং বাড়িতে ১৩ জন।

আমাদের বাণী ডট কম/০৬ জুন ২০২০/সিসিপি

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।