পুলিশের নাম শুনতেই জণসাধারণের মনে ভালো মন্দের এক বিরাট দেওয়াল তৈরী হয়। অনেকেই নাক ছিটকানো শুরু করে। সারাজীবন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পুলিশের নেতিবাচক ভাবমূর্তি দেখে আমাদের অনেকের জ্ঞান হয়তো প্রচন্ড- ঝাঁকুনি খায়। কিন্তু পুলিশবাহিনীতেও রয়েছে কিছু অফিসার যারা নিজেদের জীবন সাধারণ মানুষের সেবাই উৎসর্গ করে দিয়েছে। তারা রীতিমত জনসেবায় বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে। আইনের সহযোগিতা সাধারণ মানুষের দুয়ারে পৌছিয়ে দিতে যাদের অসামান্য অবদান রয়েছে।

যারা পুলিশে যোগদান করেছেন শুধু মাত্র সাধারণ মানুষের সেবা করার জন্য। লোভ লালসার উর্ধ্বে থেকে ন্যায়ের পথে জীবন বাজি রাখা এমনই একজন পুলিশ কর্মকর্তার নাম মোঃ তমাল শেখ। এ এস আই গোয়ালন্দ ঘাট থানা,রাজবাড়ী,গোয়ালন্দ একটি নদী বন্দর এলাকা,মাদক অধ্যুষিত এলাকা। প্রায় রাতেই চুরি , ছিনতাই রাহাজানি ছিলো নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। তিনি যোগদানের পর অপরাধমূলক সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নেই বললেই চলে।

গোয়ালন্দের যুব সমাজকে সম্পূর্ণভাবে বুঝাতে সফল হয়েছেন যে মাদক একটি পরিবার ও সমাজকে ধ্বংস করতে যথেষ্ট। গোয়ালন্দের প্রতিটি মানুষের কাছে এ এস আই তমাল শেখ একটি ন্যায়পরায়ন আদর্শবান পুলিশের নাম। এই পুলিশ কর্মকর্তা শুধুমাত্র মানুষের সেবা করতে পারলেই মহাখুশি। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মানুষের পাশে থেকে মানুষের সেবা করাই তাদের স্বপ্ন।প্রকৃতপক্ষে একজন পুলিশ কর্মকর্তাই পারে জনগণের প্রকৃত বন্ধু হতে।

যতই পুলিশকে গালমন্দ করি সামান্য বিপদে পড়লেই কিন্তু এই পুলিশের শরাণাপন্ন হতে হয়। পুলিশ নিজে সারা রাত জেগে অন্যের ঘুমের সু-ব্যবস্থা করে। খুব সম্ভবত এটিই পৃথিবীর একমাত্র প্রফেশন যেটিতে ২৪ ঘন্টা দায়িত্বে ব্যস্ত থাকতে হয়। দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের ভূমিকা অনস্বীকার্য।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।